ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

 

নাফিসের জঙ্গী কানেকশন নিয়ে প্রকাশিত সর্বশেষ খবর পাঠ করে নিশ্চয়ই কারো বুঝতে অসুবিধা হবার কথা নয় যে, নাফিস এক গভীর ষড়যন্ত্রর শিকার। এই ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা আছে তা হয়তো কোনদিন জানা যাবে, হয়তোবা না। তবে আমার ধারনা এটি সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ যেই ষড়যন্ত্র মার্কিনীদের সাথে মুসলমানদের বৈরীতাকে উস্কে দিয়ে মার্কিনীদের মাধ্যমে মুসলমানদের শায়েস্তা করতে চায়। সময়ের বিবর্তনে চরম অসংগঠিত এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানে পশ্চাদপদ হয়ে পড়া মুসলমানদের আরো দূর্বল করে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে জায়নবাদী অপশক্তি একের পর এক ষড়যন্ত্র চালিয়েই যাচ্ছে। ক্রমেই আমেরিকার রাজনীতি আর অর্থনীতির নিয়ন্তা হয়ে উঠা বর্ণবাদী ইহুদীরা সারা বিশ্বে তাদের নখর বিস্তৃত করার স্বপ্নে বিভোর। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধান বাধা হিসাবে ইসলাম এবং মুসলমানদের চিহ্নিত করেছে ওরা। তাছাড়া পুরনো শত্রুতাতো রয়েছেই। সেই শত্রুকে দুর্বল করে নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করতে একের পর এক আঘাত হেনে চলেছে জায়নবাদী গোষ্ঠী। নিজেদের স্বার্থ হাসিলে একক পরাশক্তি আমেরিকার ঘাড়ে সওয়ার হয়ে তাদেরই ব্যবহার করছে তারা। মুসলমান নামধারী কিছু মানুষকে ব্যবহার করে তাদের দিয়ে কিছু অপকর্ম সাধন করে সমগ্র মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রতি বিশ্ববাসীর মনে ঘৃনা এবং ক্ষোভ সৃষ্টি করা হচ্ছ। এ কথা কে নিশ্চিত করে বলতে পারে যে, আল-কায়েদা আর তালেবানদের অস্ত্র আর অর্থ দিয়ে ওরাই সাহায্য করছেনা? আল-কায়েদা আর তালেবানের অর্থ আর অস্ত্রের উৎস না হলে কোথায়? এদের অর্থ-আর অস্ত্রের উৎস নিয়ে পশ্চিমাদের উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায়না কেন? কেন আমেরিকা আর ন্যাটো এই সব জঙ্গীদের অর্থ আর অস্ত্রের উৎস আবিষ্কার করে তা গুড়িয়ে দেয়না?

নাফিসের জঙ্গী সম্পৃক্তা বিষয়ে আজ বিভিন্ন পত্রিকায় পচুর খবর বেরিয়েছে। সেখান থেকে কিছু অংশ তুলে ধরা হলঃ
(বাংলাদেশ প্রতিদিন থেকে)
মার্কিন গণমাধ্যগুলোর খবর অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কোর্টে নাফিসের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে সেখানে আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকায় বাংলাদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে এফবিআইয়ের কর্মকর্তারাও নাফিসের সঙ্গে আল-কায়েদা ছাড়া অন্য কোনো উগ্রপন্থি বা জঙ্গি সংগঠনের সংযোগ আছে কি না সে বিষয়েও ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েছে। এতেও কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি বলে যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
অ্যাটর্নি হেইডি ক্লেয়ার সিজেয়ার বাংলাদেশে নাফিসের পিতার ঠিকানায় এ ব্যাপারে একটি ই-মেইল বার্তা পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে। সেখানে জানানো হয়েছে, নাফিস তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঢাকার গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার আগে নাফিস যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করেছেন তার প্রায় সব জায়গাতেই গিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে গোয়েন্দারা। তাকে চেনে এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে তথ্য সংগ্রহ করেছে। এদিকে নাফিসের সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুত তাহরীর সংগঠনের সম্ভাব্য কানেকশন আছে কি না সে নিয়ে খোঁজখবর হয়েছে। ইতোমধ্যেই রাজধানীতে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও গিয়েও শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নাফিস প্রসঙ্গে কথা বলেছে। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে নাফিসের বিরুদ্ধে কোনো জঙ্গি-সংশ্লিষ্টতা বা অবৈধ কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া নাফিসের নাম এদেশের নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো জঙ্গি সংগঠনের তালিকায়ও নেই, এমনকি তাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্কের কোনো তথ্যও পাওয়া যায়নি।
মার্কিন গণমাধ্যগুলোর খবর অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কোর্টে নাফিসের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে সেখানে আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকায় বাংলাদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে এফবিআইয়ের কর্মকর্তারাও নাফিসের সঙ্গে আল-কায়েদা ছাড়া অন্য কোনো উগ্রপন্থি বা জঙ্গি সংগঠনের সংযোগ আছে কি না সে বিষয়েও ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েছে। এতেও কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি বলে যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
অ্যাটর্নি হেইডি ক্লেয়ার সিজেয়ার বাংলাদেশে নাফিসের পিতার ঠিকানায় এ ব্যাপারে একটি ই-মেইল বার্তা পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে। সেখানে জানানো হয়েছে, নাফিস তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঢাকার গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার আগে নাফিস যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করেছেন তার প্রায় সব জায়গাতেই গিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে গোয়েন্দারা। তাকে চেনে এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে তথ্য সংগ্রহ করেছে। এদিকে নাফিসের সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুত তাহরীর সংগঠনের সম্ভাব্য কানেকশন আছে কি না সে নিয়ে খোঁজখবর হয়েছে। ইতোমধ্যেই রাজধানীতে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও গিয়েও শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নাফিস প্রসঙ্গে কথা বলেছে। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে নাফিসের বিরুদ্ধে কোনো জঙ্গি-সংশ্লিষ্টতা বা অবৈধ কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া নাফিসের নাম এদেশের নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো জঙ্গি সংগঠনের তালিকায়ও নেই, এমনকি তাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্কের কোনো তথ্যও পাওয়া যায়নি।