ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

 

সম্প্রতি রামু’র দুঃখজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের সর্বত্র চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। সেই সাথে থেমে নেই ইন্টারনেট জগৎও। ঘটনার তদন্তের নামে বিএনপি তদন্ত কমিটি করে যে তদন্ত রিপোর্ট দিয়েছেন তাতে ঘটনার জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ি করেছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ কর্মীদের। উক্ত তদন্তের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে চট্টগ্রামের এক মহিলা ফেসবুকে লিখেছেন তার প্রতিক্রিয়ার কথা। তার লিখাটি আমি নিম্নে হুবহু তুলে ধরলাম।

রামু’র বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার বিএনপি’র তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী আওয়ামীলীগ এর মিছিল থেকে হামলা করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার নায়ক বিএনপি’র বন্ধু জামাত শিবিরের সন্তান বলে তার দোষ চেপে গেছে। বিএনপি’র বন্ধু জামাত শিবিরের সন্তান কুখ্যাত মুক্তাদির পবিত্র কোরআন অবমাননার যে ছবিটি তৈরী করে উত্তম কুমার বড়ুয়ার ওয়ালে ট্যাক করেছে সেছবিটি দেখলে শুধু আওয়ামীলীগ না যার শরীরে একফোটা মুসলমানের রক্ত আছে, যার অন্তরে বিন্দু মাত্র কোরআন এবং নবীর প্রতি প্রেম আছে এমন মানুষই সহ্য করতে পারবে না। ছবিটি দেখলে যে কোন মুসলমানের অন্তরে আঘাত লাগবে, রক্তের প্রতিটি ক্ষনিকায় আগুন ধরে যাবে আর সেই আগুন নেভানোর জন্য ছুটে যাবে সেই অপরাধীকে শাস্তি দিতে, তখন ন্যায় অন্যায় বিচার করার মন-মানসিকতা কোন মুসলমানের থাকবে না এটা স্বাভাবিক। সেই হিসাবে আওয়ামীলীগের কর্মীদের শরীরে মুসলমানের রক্ত আছে বলে, তাদের মনে কোরআন এবং নবীর প্রতি প্রেম ভালবাসা আছে বলেই তাদের প্রেমিক মন কোরআন অবমাননার বিষয়টি সহ্য করতে পারেনি। তাই তারা ছুটে গিয়েছিল উত্তম কুমার বড়ুয়াকে শাস্তি দেওয়ার জন্য। কিন্তু আওয়ামীলীগ এর কর্মীরা জানত না যে, ছবিটি উত্তম বড়ুয়া তৈরী করেনি, তৈরী করেছিল কুখ্যাত রাজাকার জামাত শিবিরের এক বেজন্মা সন্তান মুক্তাদির। এই কুখ্যাত মুক্তাদির শরীরে যদি একফোটা মুসলমানের রক্ত থাকত, তার অন্তরে যদি কোরআন এবং নবীর প্রতি বিন্দুমাত্র ভালবাসা থাকত তাহলে সে কোন দিন এই কর্মটি করতে পারত না। তাকে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিৎ ছিল যে ভবিষ্যতে কেই এমন কাজ করার সাহস না পায়। আর বিএনপি এখন তাদের বন্ধু কুখ্যাত রাজাকারের সন্তান মুক্তাদির বাচানোর জন্য তদন্তের নামে অপ-তদন্ত করে আসছে।

উপরোক্ত লিখাটি আমার খুব ভাল লাগলো তাই এখানে আনলাম। বিএনপি জামাতকে বাচানোর জন্য কেন এতই মরিয়া হয়ে উঠলেন। যারা এদেশের শত্রু, মানবতার শত্রু তাদেরকে বাচানোর জন্য বিএনপি এতই উঠে-পড়ে লেগেছে কেন? কি স্বার্থ বিএনপি’র? যারা ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করে দিনের পর দিন সরলমনা মুসলমানদের সাথে ধোকাবাজী করে আসছে। তারা যদি মুসলমান হয় ইসলাম ধর্মের প্রতি যদি বিন্দুমাত্র অনুভূতি থেকে থাকে তাহলে পবিত্র কোরআন অবমাননার মতো কাজ গুলো করে কি করে? আওয়ামীলীগের দুর্নাম রঠিয়ে আগামী নির্বাচনে বিএনপি’র হাত ধরে ক্ষমতায় আসার লোভে তারা ইসলাম ধর্মকে কলঙ্কিত করতেও দ্বিধাবোধ করছে না। তারা কি করে মুসলমান দাবী করে। সম্প্রতি অন্য একটি ইসলামী দল জামাত শিবিরকে অমুসলিম ঘোষণা করেছেন। আমার মনে তারা সত্য কথাটি বলেছেন। কারন যারা এই সমস্ত কোরআন বিরোধী কাজ করতে পারে তারা কখনো মুসলমান দাবী করতে পারে না। প্রত্যেক মুসলমানের উচিৎ রাজাকার জামাত শিবিরের এই সব অপকর্মের প্রতিবাদ করা। তারা যদি বিএনপি’র হাত ধরে একবার ক্ষমতায় আসতে পারে তাহলে এদেশকে তারা তালেবানের পরিণতি চেয়েও ভয়াবহ করে তুলবে। এই মুহুর্তে জামাত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে তাদের স্বমূলে নিচ্ছিন্ন করা উচিৎ।