ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বাংলাদেশের মহান জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। সরকারের সকল কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করা তাদের অধিকার আছে। বিরোধিতা অবশ্যই করতে হবে। বিরোধিতা না করলে সরকার তার ভুলগুলো ধরতে পারবে না। আমরা বিরোধী দলের বিরোধিতাগুলোকে স্বাগত জানাই। তবে বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা নয়; বিরোধিতা করতে হবে দেশের স্বার্থে। ইতিমধ্যে সরকারের নেয়া ভাল-খারাপ প্রত্যেকটি কাজের বিরোধিতা করে আসছে বিরোধী দল। তারমধ্যে অন্যতম দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন, নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন ইত্যাদি।

দলীয় সরকারের অধীনে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন যে সুষ্ঠু হবে এটা অন্তত আমি আশা করতে পারছি না। তবে ইতিমধে আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে কয়েকটি উপ-নির্বাচন ও সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে এটা স্বীকার করছি। কিন্তু এই নির্বাচন আর জাতীয় নির্বাচন এক নয়। এই নির্বাচনে সরকারী দল হারলেও কোন ক্ষতি নেই কিন্তু জাতীয় নির্বাচনে হারলে খবর তো আছে। ইভিএম আর নতুন ইসি-র ব্যাপারে বিএনপি চিন্তা করা উচিৎ বলে আমি মনে করি। কারন সারা বিশ্ব এখন ডিজিটাল পদ্ধতিকে স্বাগত জানাচ্ছে সেখানে আমরা পিছনে পড়ে থাকবো কেন? ইভিএম বর্তমান ডিজিটাল যুগের জন্য উপযুক্ত একটি উদ্যোগ। এটিকে দেশের সকল রাজনৈতিক দল স্বাগত জানানো উচিৎ ছিল। কিন্তু তা না করে বিএনপি সেটারও বিরোধিতা করে আসছে। তাদের উচিৎ ছিল সংসদে গিয়ে ইভিএম এর ব্যাপারে সমর্থন জানানো। সংসদে যাওয়া তাদের অধীকার আছে; জনগন তাদের ভোট দিয়েছে সংসদে গিয়ে জনগণের কথা বলার জন্য। তারা আওয়ামীলীগের কথায় রাগ করে সংসদের বাইরে থাকার জন্য জনগণ তাদের ভোট দেয়নি। সংসদটা তো আর আওয়ামীলীগ এর কেনা সম্পদ নয় যে এখানে বিরোধী দল যেতে পারবে না। কি বুঝে বিএনপি সংসদের বাইরে থাকে। আসলে তারা কি চাই?