ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

দেশের মানুষ র‌্যাবকে চায়: ছহুল

সিলেট, মে ২৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকা র‌্যাবের প্রশংসা করে নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন বলেছেন, দেশের মানুষ এই বাহিনীকে চায়।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের চাওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বুধবার সিলেটে নির্বাচন নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত এক সভায় এ কথা বলেন।

ছহুল বলেন, “শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য যত প্রার্থী আমার কাছে আবেদন করেছেন, তারা সবাই নির্বাচনে র‌্যাব মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন।

“আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশের মানুষ র‌্যাবকে চায়। র‌্যাব এখনো জনপ্রিয়। র‌্যাবের ওপর মানুষের অগাধ বিশ্বাস রয়েছে”, বলেন তিনি।

র‌্যাবের বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার জবাবে সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হচ্ছে, র‌্যাবকে বিলুপ্ত করার ‘চক্রান্ত’ করা হচ্ছে।

সিলেট জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় ছহুল আরো বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগেই চিহ্নিত সব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ইউপি নির্বাচনের জন্য ৮২৪ জন নির্বাহী ও ৪৪০ জন বিচারিক হাকিম মাঠে থাকবেন বলে জানান তিনি।

এছাড়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার অধীনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে একটি করে পরিদর্শক দলও থাকবে।

আগামী ৩১ মে থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ৫৭ জেলায় ৩ হাজার ৮০০ এর বেশি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এক সময় ইউপি নির্বাচনে মন্ত্রীরাও হস্তক্ষেপের চেষ্টা চালাতেন মন্তব্য করে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন কমিশনের কড়াকড়ির কারণে এখন মন্ত্রীরা ঠিক হয়ে গেছেন।

“শতকরা ১০ ভাগ সংসদ সদস্য নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেন। তাদেরকে আচরণবিধির আওতায় আনার চিন্তা-ভাবনা চলছে”, বলেন ছহুল।

ভোট কেন্দ্রে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ছহুল বলেন, “আমি অনেকবার ভোট কেন্দ্র থেকে ফিরে এসেছি। আমি যাওয়ার আগেই আমার ভোট দিয়ে দেওয়া হতো। তবে এখন দেশে সে অবস্থা নেই। জাতীয় পরিচয়পত্র থাকায় এখন কেউ আর জাল ভোট দেওয়ার চিন্তাও করে না।”

যে কোনো মূল্যে নির্বাচনকে কালো টাকার প্রভাবমুক্ত রাখার ঘোষণা দেন তিনি।

প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয় প্রসঙ্গে ছহুল জানান, কোনো প্রার্থী মেজবান বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করলে তা নির্বাচনী ব্যয় হিসেবেই ধরা হবে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আবু সৈয়দ মোহাম্মদ হাশিমের সভাপতিত্বে ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সামসুল আলমের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মকবুল হোসেন ভূঁইয়া, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার অমূল্য ভূষণ বড়–য়া, র‌্যাব-৯ এর অধিনায়ক সৈয়দ অনঘ, সিলেট বিভাগীয় উপ নির্বাচন কমিশনার খন্দকার মিজানুর রহমান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/আরএ/এমআই/১৬০০ ঘ.

আমার মতামতঃ

আমি র‌্যাবের বিলুপ্ত চাইনা। কারন এই র‌্যাব এখনও যদি সারাদেশে জরিপ চালানো হয় (বিগত কয়েক মাস যাবত “দৈনিক প্রথম আলো” ও একই গ্রুপের ” ডেইলি ষ্টার” র‌্যাবের বিরুদ্ধে জনসাধারণকে ক্ষেপানোর চেষ্টা করছে) এর পরও র‌্যাবের জনপ্রিয়তায় তেমন খুব একটা ধস নামে নাই। ইচ্ছা করলে যে কেউ যে কোন ভাবে মতামত নিতে পারেন, তবে প্রশ্ন মালা অবশ্যই এক পক্ষিয় হলে হবেনা। আপনাকে সত্যিকার তথ্য জানার ও উপস্থাপন করার মন নিয়ে আগাতে হবে।

র‌্যাব অনেক বিচার বহির্ভূত হত্যা করেছে এটা ঠিক, কিন্তু এর বেশীর ভাগ হল দাগী ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী। যাদের থানায় নিলে কেউ না কেউ (মানে বড় ভাইয়েরা) ছাড়িয়ে নিয়ে তারাই আবার তাদের দিয়া আরোও নতুন উদ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর জন্য বলে দেন। কারন সন্ত্রাসীরাই হল সন্ত্রাসীদের বন্ধু, রাজনীতিবিদদের বন্ধু, ভণ্ডদের বন্ধু। ওদের দিয়াই সকল কাজ করানো হয়, আর আসল বদমায়েশরা থাকে আড়ালে। যারা আজ র‌্যাব বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়ে চলছে, ভালভাবে খোঁজ নিয়ে দেখুন এদের সকলের সাথেই সন্ত্রাসীদের ভাল সম্পর্ক আছে। তাই তারা এর বিলোপ চায়। এরকম এক ধান্দাবাজ হল “প্রথম আলো” আমার দেশ, ডেইলি স্টার সহ তাদের স্বজনরা।

সব বাহিনীরইতো দোষ-গুন আছে, কিন্তু আমরা বলি যে, পুলিশ চাইনা, মিলিটারি চাইনা, সরকার চাইনা, প্রশাসন চাইনা, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় চাইনা, আদালত চাইনা, কোন এনজিও চাইনা, তাহলে শুধু র‍্যাবের ক্ষেত্রে এ অবস্থান কেন, কেন এত অপ-প্রচার, কার স্বার্থে ? প্রথম আলো জবাব দিবে কি ? দিবে না। কারন সে সরাসরি আন্তর্জাতিক মাফিয়ার সাথে যুক্ত। যার সম্পাদক এখনও আইএসআইর নিকট হতে অর্থ নিচ্ছে।

কৈ তারাতো আজ পর্যন্ত র‌্যাবের একটা ভাল কাজ নিয়া এরকম নিউজ করে নাই। লিমনকে ভিকটিম করে এ ফায়দা লোটার আসল উদ্দেশ্য একদিন জাতী অবশ্যই জানতে পারবে। এই প্রথম আলোই “আড়িয়ল বিলে” বিমান বন্দর হতে দেয় নাই প্রতিনিয়ত অপ-প্রচারের মাধ্যমে। আমরা জাতী কবে যে নিজের ভাল নিজের খুজে নেব, তা ঐ বিধাতাই ভাল জানেন।

গ্রামের ছেলেরা সন্ত্রাসীর সাথে কেমন করে যোগাযোগ রাখে ও তাদের সোর্স হয়ে কাজ করে তা আমি গ্রামে দেখেছি। আমিও গ্রামেই বড় হয়েছি। আর গতকাল তদন্ত দলের কাছে লিমনে কাছে যাওয়া এবং তাদের প্রশ্নের ধরন দেখে আমার কিছুই মন্তব্য করেতে ইচ্ছা করেনা। কারন এটা একটা ফালতু ইন্টারভিউ ছাড়া আর কিছু নয়। আমাদের দেশের মানুষ এত ভাল হলে দেশে এত মারামারি হানাহানি কেন ? তারা কি শিশুর মত সব কথা এমনিতেই বলে দেবে। গত কালের তদন্ত দলের প্রশ্ন স্টাইল ছিল যেন একজন মহান সত্যবাদীকে প্রশ্ন করা হচ্ছে, সে আল্লাহকে হাজির নাজির ভেবে গড় গড় করে এত মাতামাতির একটা বিষয়ে শিশুর মত সব কিছু স্বীকার পাবে। খুবই মজার ব্যাপার। আমার এক বন্ধু ছিল, বর্তমানে সে বিজিবিতে চাকরী করে। সে তার পড়ার টেবিলের নিচে সব সময় একটা বড় তলোয়ার রাখত ও একটা পিস্তল থাকত তার কাছে। কারন সে সর্বহারা দল করত। কিন্তু এলাকাবাসীতো দুরে থাক, তার মা-বাবাও তা জানত না। আমি জেনেছে একদিন একটা বই আনার জন্য তার পড়ার ঘরে যাওয়ার পর। এখন যদি কোনদিন কোন বাহিনী তাকে গুলি করত, তাহলে তার মা-বাবা ও এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে ভাল ছেলে হত, কিন্তু সেই জানত সে ভাল না খারাপ। লিমন গতকাল অনেক কথাই গোপন করেছে, যা তার প্রশ্নোত্তর পর্ব দেখলেই সবাই বুঝতে পারবে।

তাই এখানে ঢালাও ভাবে র‌্যাবের দোষ দেয়া হল। কিন্তু ভিকটিমকে হিরো বানিয়ে কি একটি ভালোর অপ-মৃত্যু হবে ?

তাই আসুন একটা ভাল বাহিনী ও দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্যে প্রয়োজনীয়তার কথা চিন্তা করে র‌্যাবের বিরুদ্ধে স্বরযন্ত্রকে রুখে দাঁড়াই।