ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

আজ বিএনপির ডাকে “গণ অনশন” হচ্ছে। এর নেতৃত্বে আছেন বিএনপি সভাপতি খালেদা জিয়া। এ অনশন শুরু হয় বেলা ১০ টায় আর শেষ হবে সন্ধা ৬ টায়। বিএনপি সভাপতি অনশনে এসেছেন বেলা ১২ টায় । প্রধান বলে কথা ! তাই উনার অনশনের সময় একটু কম ধরা হযেছে। এছাড়া সাতঘাটের পানি খাওয়া কিছু দলও এ সাথে আছে। এর মধ্যে ইতি মধ্যে উল্লেখ করার মত দল হল এলডিপি। যারা বিএনপি থেকে ভেগে ছিলেন, আবার তাদের সাথেই এসেছেন, ক্ষমতার স্বাদ নেয়ার স্বপ্ন বলে কথা। নীতি সেখানে কোন ব্যপার নয়। আর জবান, এটা তো রাজনীতিতে থাকাটাই হল অন্যায়। আবার শোনা যাচ্ছে বি চৌধুরী তার রেল লাইনের ধাওয়া খাওয়ার কথা ইতিমধ্যে ভুলে গেছেন। তিনি ভুলে গেছেন নানা নাজেহাল ও ঘরে আগুন লাগানোর কথাও। কারন একটাই ক্ষমতার লোভ। তা ক্ষমতা যেখান থেকেই আসুক, যেভাবেই আসুক। মান সম্মান এটা রাজনীতিতে (বাংলাদেশী রাজনীতির) কোন ব্যাপার না। ছোট বেলায় বড় ভাইদের কাছে এক যাত্রার ডায়ালগ শুনেছিলাম। তা ছিল ” আমি হলাম বার ভূঁইঞার এক ভূঁইঞা, আমাকে জুতা পেটা করে গাছের মাথায় তুলে আবার জুতাপেটা করে গাছের নীচে নামালেও আমার সম্মানের এতটুক হানি হয়না” !!!! তাই আমাদের বি.চৌধুরী, অলি, মেনন, রব, ইনু এরা সবাই হলেন এই জাতীয় বার ভুঁইঞা। তাই তাদের সম্মান মহান আল্লাহর কৃপায় সর্বদা অটুট থাকে !!!

এবার আসি অনশনের কাহিনীতে। যেটা আমার শিরোনাম। কেন ? অনশনকারীরা তথাকথিত অনশনের জন্য যোগ দিয়ে, কিছুক্ষণ পর পর বাহিরে গিয়ে চা, পান, আখের রস, পানীয় ইত্যাদি খাচ্ছেন। প্রথম আলোর সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করলেন কেন খাচ্ছেন? উত্তর হল “এটি প্রতিকী অনশন। পানি জাতীয় হালকা খাবার খেলে সমস্যা নেই।” এবার বুঝুন। উনাদের অবস্তা হল হানিফ সংকেতের সেই জননেতাদের মত যারা, গরীব ভাত খেতে পারেনা বলে উনিও ভাত খান না, খান পোলাও, চাইনিজ ও বিরিয়ানী। আর রিক্সাওয়ালার কষ্ট হবে ভেবে রিক্সায় না চলে তিনি চলেন “প্রাইভেট কারে” । কেউ ভুল বুঝবেন না। এরাই আমাদের নেতা-নেত্রী, এরাই আমাদের সংসদে যান, আইন প্রনয়ন করেন। আমরা এদের পূঁজা করি। কি সৌভাগ্য আমাদের !!!!