ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

গত সোমবার গভীর রাতে ৩ শতাধিক যাত্রী নিয়ে মেঘনা নদীতে ডুবে গেলে শরিয়তপুর থেকে ঢাকার দিকে আসা এমভি শরিয়তপুর-১ লঞ্চটি। এ পর্যন্ত ১৪৭ লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। একই পরিবারের ১২ জন লোক মারা যাবার ঘটনাও ঘটেছে এই লঞ্চ ডুবিতে । কতটা কষ্টের হতে পারে সেই স্বজন হারা কান্নার দৃশ্য। কে দেবে সান্ত্বনা ? বাকরুদ্ধকর এই দুর্ঘটনায় সবার চোখে জল এনে দেই।

লিটন তার সন্তান ও বড় ভাই কে নিয়ে ঢাকা আসছিলেন। কিন্তু তেলবাহী জাহাজ তাদেরকে আর ঢাকা আস্তে দিলনা। কেড়ে নিল লিটনের সন্তান ও ভাইকে। অনেক চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারল না তাদেরকে। তাকে সান্ত্বনা দেবার মত কারো সাহস নেই। কি দিয়ে সান্ত্বনা দিবে, যা ছিল তার সব শেষ হয়ে গেছে।

সান্ত্বনা দিতে এগিয়ে এলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । এক পরিবারের একজনের জন্য ৩০ হাজার আর একাধিক সদস্যদের জন্য ৪৫ হাজার টাকা করে দিলেন।
কিন্তু দুঃখ ভরা মন নিয়ে লিটন কেঁদে কেঁদে বললেন সরকার আমার ভাই ও ছেলের জীবনের দাম দিয়েছেন। জেলা প্রশাসক তাকে ৩ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে তিনি জানান।

তাই সরকারের কাছে আমার প্রশ্নঃ
জীবনের মূল্য কি সামান্য কিছু টাকা?