ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

গত ১৭ এপ্রিল রাতে সিলেট বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হন। তার গাড়িটি ওই দিন মধ্যরাতে বনানীর রাস্তায় দরজা খোলা অবস্থায় পাওয়া যায়। ইলিয়াস আলী নিখোঁজের প্রতিবাদে ও তাঁর উদ্ধারের দাবিতে ১৭ এপ্রিল রাতে দলীয় বৈঠকে গতকাল ২২ এপ্রিল হরতাল পালনের সিদ্ধান্ত হয়। গতকাল পর্যন্ত তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল সন্ধ্যায় হরতাল-পরবর্তী সংবাদে আজ সোমবারও সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে।

গত ১০ ফ্রেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে খুন হয় সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর- রুনিক। হত্যাকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকরা নিরব আন্দোলন ছাড়া কোন কিছুই করতে পারিনি। এক পর্যায় সাংবাদিকগণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রলায় গিয়ে শুধা ( চা ) পান করে সরে পরল আন্দোলন থেকে। প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন যদিও বলেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদেরকে ধরা হবে কিন্তু তা তিনি পারলেননা।

অবশেষে পুলিশ পদত্যাগ করলো এই মামলা থেকে। মামলা এখন র‍্যাবের হাতে। বুঝলাম এখানেও ইঁদুর-বিড়াল খেলা হচ্ছে।

বড় ধরনের আন্দোলনে না নামলে সাগর-রুনি হত্যার আসামিদের ধরা যাবেনা। দেশের মানুষের নিকট আমার প্রশ্ন সাংসদ ইলিয়াস আলীই এদেশের নাগরিক, সাগর-রুনি কি নয়? যদি ইলিয়াস আলীর জন্য দুই দিন হরতাল পালন হয়, তাহলে কেন দুই জনের জন্য একদিন হরতাল পালন হবে না? আমার এই কথা যদি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কাছে যায় তাহলে তাকে বললাম, আমার কথায় তো হরতাল হবেনা, তাই আপনি আগামী মঙ্গলবার সাগর-রুনির জন্য হরতাল দিন।

আকুল আবেদন বর্তমান সরকার প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে , এভাবে আমরা কাওকেই হারাতে চাই না। দয়া করে আমাদের কে একটু ভাল থাকতে দিন।