ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

আমাগো প্রধানমন্ত্রী আইজকা (৭ই জুলাই ২০১২) জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কইলেন, “আমি মনে করি, বন্যার প্রয়োজন রয়েছে। বন্যা এখনো ভয়াবহ রূপ নেয়নি। যারা লেখালেখি করেন, তাদের বলব, দয়া করে ভীতির সৃষ্টি করবেন না।

“আমাদের মাটির নিচে পানির পরিমাণ ঠিক মতো রাখতে হবে। বন্যা হলে তা রিচার্জ হয়। ফসল উৎপাদনে মাটির উর্বরতা কমে যায়। বন্যা হলে মাটিতে পলি পড়ে। মাটি রিচার্জ হতে বন্যার প্রয়োজন। তাই সীমিত বন্যার প্রয়োজন রয়েছে।”

পাশাপাশি বন্যার ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সরকারের নজর রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, বন্যা যেন ক্ষতিকর না হয়।”

কতা উনি ঠিকই কইছেন…… বন্যা হইলে অনেক কিছুই রিচার্জ হয়, যেমন মাটি রিচার্জ হয়, পানি রিচার্জ হয়, বন্যা উপদ্রুত এলাকার নেতারা রিচার্জ হয়, চেয়ারম্যান রিচার্জ হয়, টি এন ও রিচার্জ হয়, মজুদদার ব্যাবসায়ী রিচার্জ হয়, সরকারী কন্ট্রাক্টরের সাথে সাথে ইঞ্জিনিয়ারও রিচার্জ হয়। সরকারী দপ্তর গুলাতে রিচার্জের হিড়িক লাইগা যায়।

তয় সমস্যা এক জায়গায়…… ওই যে যারা লেখালেখি করে, মানে সাংবাদিক…… ইদানীং কিছু গজাইছে ব্লগার…… খায়া দায়া কাম নাই, হুদাই কম্পিউটারের সামনে বইয়া ইন্টারনেটে ঝামেলা পাকায়। জনগণরে খালি আউলা ঝাউলা ডর দেহায়। এত কিছু রিচার্জ করতে গিয়া কিছু সাধারন ভূমিহীন চাষাভুষা আমজনতার পাওয়ারই(জীবন) অফ হইয়া যায়, তা কিছু পাইতে হইলে তো কিছু যাইবই…… এইটাই লেখালেখিঅলারা বুঝে না…… গরীব, মূর্খ চাষাভুষা কিছু আদম কয়টাদিন না খাইয়া থাকব, দুই চাইরটা বুড়া বুড়ি আর আণ্ডা বাচ্চা কলেরায় মরব, যারা বাইচ্চা থাকব হেরা নিজের কপালরে দোষ দিব, আল্লার কাছে চাইব, এইটাইত স্বাভাবিক। তা না ওই লেখালেখিঅলা লোকগুলা হুদাই সচেতন পাবলিকের চোখে আঙ্গুল দিয়া পানি বাইর কইরা ফালায়। লগে নিজেরাও ফালাফালি শুরু করে…….. আরে ভাই বন্যায় পানি বাড়লে ঢাকার আশুলিয়ায় লোকজন বউ বাচ্চা সহকারে গাড়ি লইয়া হেই পানি দেখতে যায়। চটপটিঅলাগো বেচা বিক্রি বাইরা যায়…… এতে দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হয়…… এই গুলা লেখতে পারেন না………???