ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

অভ্যুদয় উত্তর বাংলাদেশ
১০ই জানুয়ারি, ১৯৭২।
সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে বীরের বেশে প্রবেশ করলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঢাকায় অপ্রত্যাশিত সংবর্ধনায় মুদিব বিমুগ্ধ হলেন। বীর থেকে দেবতায় পরিণত হলেন মুজিব। দেবতা মুজিব স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বক্তৃতা দিলেন। প্রচণ্ড আবেগাপ্লুত সেই ভাষণে সারা বাংলার আপামর জনসাধারণের প্রতি অকৃত্রিম মমতা প্রকাশ পায়। মুজিবের ঘোর সমালোচকও অস্বীকার করবে না যে, বাংলার সাধারণ মানুষের প্রতি মুজিব অকৃত্রিম স্নেহাদ্র ছিলেন।

মুজিব দেশের শাসনভার গ্রহণ করলেন। এরই মাঝে মুজিবকে ঘিরে তৈরি হল একটি চাটুকার সম্প্রদায়। এই চাটুকার পরিবেষ্টিত হয়ে মুজিব তার বাসভবনকে রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেন। আওয়ামী রাজনীতি কিন্তু আগেই মুজিবের ড্রয়িং রুম বন্দী হয়ে পড়েছিল।

আওয়ামী রাজনীতি মুজিবের ড্রয়িং রুম বন্দী!!!
এই প্রশ্নের জবাব জানতে হলে একটু পেছনে যেতে হবে। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করতে হবে।
১৯৪৮ সালে মাওলানা ভাসানী’র নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়। বাঙ্গালীর রাজনৈতিক চেতনাকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য, দেশ ও দলের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চা করা, বাঙ্গালী’র যৌক্তিক দাবী আদায়ের লক্ষ্যেই এই দল গঠিত হয়। পরবর্তীতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এই দলের প্রতি তার সদয় সমর্থন প্রদান করেন। ফলে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী মুসলিম লীগে রূপান্তরিত হওয়ার প্রয়াস পায়। কেননা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন সমগ্র পাকিস্তানের এক অবিসংবাদিত নেতা। স্বভাবতই তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এই দলটিকে সমগ্র পাকিস্তানের একটি অন্যতম রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত করালেন তিনি । অন্যদিকে ভাসানী অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ কে বাঙ্গালীদের দাবী আদায়কারী একমাত্র রাজনৈতিক সংঘটনে পরিণত করেন। মূলত এই দুই জনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই আওয়ামীলীগ রাজনীতি’র শক্ত ভিত পায়। ভাসানী মজলুম সমাজের প্রতিনিধিরূপে আর সোহরাওয়ার্দী পরিচিত ছিলেন অখণ্ড পাকিস্তানের অন্যতম গণতন্ত্র কামী নেতা হিসেবে। সোহরাওয়ার্দী’র ছত্রছায়ায় মুজিব আস্তে আস্তে বাংলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হতে শুরু করেন। ভাসানী, মুজিবের নেতৃত্বগুণে মুগ্ধ হয়ে তাকে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ দান করেন। উল্লেখ্য খন্দকার মোশতাক আহমেদ ও কিন্তু ঐ পদে মুজিবের প্রতিদ্ধন্দী ছিলেন।রুষ্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদ দলের মধ্যে উপদলের সূচনা ঘটান। ফলে আওয়ামীলীগের অন্যান্য সিনিয়র নেতারা তার উপর রুষ্ট হয়। খন্দকার মোশতাক আহমেদ অভিমান করে শেরেবাংলার কৃষক প্রজা পার্টি তে যোগদান করেন। ইতোমধ্যে শেরেবাংলা’র কৃষক প্রজা পার্টি কে নিয়ে যুক্ত ফ্রন্ট গঠিত হয়।

১৯৫৪’র সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব বাংলায়(পূর্ব পাকিস্তানে) অভূতপূর্ব ফলাফল লাভ করে। পরে শেরে বাংলা’র নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। এই মন্ত্রীসভা গঠিত হওয়ার সাথে সাথে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে উপদলের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই মন্ত্রী সভা আবার ভেঙ্গে দেয়া হয়। পরে আবার মোহাম্মদ আলীর সরকার পদত্যাগ করলে আওয়ামী মুসলিম লীগ কেন্দ্রে কোয়ালিশন সরকার গঠন করে। কোয়ালিশন সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকে এই উপদলের অস্তিত্ব স্পষ্ট হয়ে ধরা পড়ে। এই উপদলগুলো’র মধ্যে বিভেদ চরম আকার ধারণ, এবং জাতীয় প্রশ্নে মতদ্বৈততার কারণে ১৯৫৭ সালে ভাসানী দলত্যাগ করেন।

ভাসানী দলত্যাগ করার পর আতাউর রহমান খান পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের (মুসলিম বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক চরিত্র আনা হয় ১৯৫৫ সালে) সভাপতি’র পদ গ্রহণ করেন, মুজিব যথারীতি সাধারণ সম্পাদকের পদে আসীন থাকেন। ইতিমধ্যে ক্ষমতার নাচনে আতাউর রহমান খান নিজেকে দক্ষ নৃত্যশিল্পীতে রূপান্তরিত করেন। যাই হোক, ১৯৬৩ সালে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সেতুবন্ধন সর্ব-জনাব হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মৃত্যুবরণ করলে আওয়ামীলীগের অখণ্ড চরিত্রের পরিবর্তন ঘটে। এবং আওয়ামী লীগ আস্তে আস্তে শুধুমাত্র পূর্ব পাকিস্তানের সংঘটনে পরিণত হয়।

১৯৬৬ সালে মুজিব আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ইতোমধ্যে, চরিত্র পরিবর্তন করা আওয়ামী লীগ মুজিব কেন্দ্রিক হয়ে পড়ে। মুজিব আওয়ামী লীগের সর্বময় কর্তা হয়ে উঠেন। এভাবেই আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক চরিত্র হারিয়ে ব্যক্তি নির্ভর রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। এরপর মুজিব আপন সিদ্ধান্তে খন্দকার মোশতাক কে আওয়ামী লীগে অন্তর্ভুক্ত করেন।এভাবেই আওয়ামী লীগ মুজিবের ড্রয়িংরুম বন্দী হয়ে পড়ে। একথা অনস্বীকার্য যে, মুজিব যথার্থ অর্থেই আওয়ামী লীগ কে প্রাদেশিক নেতৃত্ব দানকারী দলে পরিণত করেন। তিনি জনমত বুঝতে পেরেছিলেন এবং সেই মত পার্টি’র কর্মধারা প্রণয়ন করেন। ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগ সংগ্রামী চরিত্র অর্জন করে।

পরিবারতন্ত্রের সূচনা
স্বাধীনতার পরে ড্রয়িং রুম বন্দী শাসন ক্ষমতা জনগণকে যথাযোগ্য পরিচালনা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় জনগণের মধ্যে ক্রমশ অসন্তোষ দেখা দেয়। চাটুকার বেষ্টিত মুজিব একের পর এক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিতে থাকেন। অযোগ্য আত্মীয় স্বজন দেরকে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত করতে থাকেন তিনি। ফলশ্রুতিতে জনতার হৃদয় থেকে দেবতা মুজিবের পতন ঘটতে থাকে। মুজিব আবেগস্বর্বস্ব বক্তৃতা’র মাধ্যমে তার হৃত ইমেজ পুনর্গঠনের ব্যর্থ প্রয়াস চালান।

দেশকে সুষ্ঠুভাবে পুনর্গঠনের জন্য মুজিবের সদিচ্ছা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। কিন্তু চাটুকার পরিবেষ্টিত, স্বজনপ্রীতি’র পরম পরাকাষ্ঠা দেখানো মুজিব দেশ গঠনে কার্যকর কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারতেন, তা সচেতন ঐতিহাসিক মাত্রই প্রশ্ন তুলেন। সচেতন মহল বলে থাকেন যে, মুজিবের এই স্বজনপ্রীতি থেকেই প্রকৃতপক্ষে পরিবার-তান্ত্রিক রাজনীতির উদ্ভব। কেননা, মুজিব কি আওয়ামী লীগে তার কোন বিকল্প তৈরি’র চেষ্টা করেছিলেন? যদিও তাজউদ্দীন, মুজিবের বিকল্প হতে পারতেন তদুপরি মুজিব যেভাবে তাকে দূর দূর করে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী রাজনীতিতে মুজিবের বিকল্প হিসেবে কাজ করা তার পক্ষে কতটুকু সম্ভবপর ছিল তাও প্রশ্ন-সাপেক্ষ বিষয়।

স্বরূপে পরিবারতন্ত্র
১৯৭৭ সালে আওয়ামী লীগ পুনরুজ্জীবিত হয়। আগেই বলেছি, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন উপদলীয় কোন্দল বিদ্যমান। এই কারণেই তারা সর্বজন-গ্রাহ্য একজন নেতৃত্ব বাছাই করতে ব্যর্থ হয়। এরূপ পরিস্থিতিতে মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশে’র আগ্রহ দেখান। বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত আওয়ামী নেতারা মুজিবের রক্ত-সম্পর্কীয় উত্তরসূরি কে নেতৃত্বে বসাতে দ্বিধা করে না।
সেই প্রথম বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে পরিবারতন্ত্রের স্বরূপে উত্থান।

এরপরের ইতিহাস তো সবার জানা। জিয়া বি এন পি প্রতিষ্ঠা করেন। তার মৃত্যুর পর সুবিধাবাদীদের সংঘটন বি এন পি সর্বজন-গ্রাহ্য নেতৃত্ব খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়ে খালেদা জিয়াকে রাজনীতিতে টানেন। পরিবার-তান্ত্রিক রাজনীতির অপার মহিমায় গৃহবধূ থেকে রাতারাতি রাজনৈতিক নেতৃত্বে পরিণত হন খালেদা জিয়া।

অস্বীকার করব না, এই দুই জনেই অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা, সংগ্রামের মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজেদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন।

পরিবারতন্ত্রের ভবিষ্যৎ উত্তরসূরি
ধারণা করা হচ্ছে, শেখ হাসিনা পরবর্তী আওয়ামী রাজনীতিতে তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় অথবা কন্যা পুতুল যে কেউ একজন দলের হাল ধরবেন। অন্যদিকে বি এন পি’র এক মহা সমাবেশে খালেদা জিয়া তো তারেক জিয়াকে তার রাজনৈতিক উত্তরসূরি রূপে ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন।

স্বৈরাচারী এরশাদের আমলে সংগ্রাম করে ঋদ্ধ হওয়া এই দুই নেত্রীর রাজনৈতিক যোগ্যতা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই, কিন্তু রাজনীতিতে কোন সংগ্রামী অভিজ্ঞতা না থাকা জয়, পুতুল কিংবা তারেক বাংলাদেশের রাজনীতিকে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারবেন কি? তারেক তো ইতোমধ্যেই নির্দিষ্ট খেতাব জুটিয়ে ফেলছেন। তাদের হাতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি কতটুকু নিরাপদ তাও প্রশ্ন-সাপেক্ষ ।

পরিবারতন্ত্র থেকে বের হতে না পারার কারণ কি?
দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা’র কথা বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলা দুই নেত্রী তাদের দলের মধ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে কতটুকু তৎপর?
তারা দলীয় ফোরাম গুলোতে কতটুকু গণতন্ত্র চর্চা করেন?

তারা কি দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলগুলো মেটাতে কার্যকর ভূমিকা নেন, নাকি নিজেদের স্বার্থেই দলের প্রভাবশালী ব্যক্তি বিশেষের মধ্যে কোন্দল জিইয়ে রাখেন?
তারা জাতি এবং পরিবার উভয়ের কোনটি’র প্রতি বেশী দায়বদ্ধ? তাদের কাছে কোনটি বেশী প্রাধান্য পায় ক্ষমতা নাকি দেশ?

ন্যুনতম বিবেকবোধ সম্পন্ন মানুষ মাত্রই এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানেন। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করলেই যে কেউ বুঝতে পারবেন, কেন আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোতে পরিবারতন্ত্রের অবসান হচ্ছে না।

পরিবারতন্ত্রের বিকল্প
বাংলাদেশে পরিবারতন্ত্রের কি কোন বিকল্প আছে বা বিকল্প কিছু সম্ভব? এটি হচ্ছে বর্তমান সময়ের মিলিয়ন টাকার প্রশ্ন।
কেউ কেউ প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর পেছনের সারির দলগুলোর মধ্যে বিকল্প খুঁজেন। বিনয়ের সাথে বলতে চাই, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রচলিত প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তির বাইরে অদূর ভবিষ্যৎ পর্যন্ত পেছনের কোন দলের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা নেই। কেননা এইসব রাজনৈতিক দল প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলো থেকেই সৃষ্ট। আর অন্য রাজনৈতিক দলগুলো যেমন কম্যুনিস্ট পার্টি বা ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো’র জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে এখনো প্রশ্ন থেকে যায়। স্বৈরাচারী এরশাদ যতই নাটক করেন না কেন, ক্ষমতায় পুনঃ-প্রত্যাবর্তন তার পক্ষে অসম্ভবই বটে।

লক্ষণীয়, তৃতীয় কোন শক্তির যে কোন উত্থান প্রচেষ্টাকেই প্রধান দুই দল বিতর্কিত ভূমিকা পালনের মাধ্যমে নস্যাৎ করে দেয়। সুতরাং বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে তৃতীয় কোন ধারার উত্থান প্রায় অসম্ভবই বটে।

অন্যদিকে, এই দুই প্রধান দলের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষ দল দুটির প্রতি ক্রমশ বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দলদুটি’র মধ্যে যদি গঠনমূলক আমূল পরিবর্তন না আসে তবে জনগণ নিজ উদ্যোগেই বিকল্প কোন ব্যবস্থা খুঁজে নেবে বলে প্রতীয়মান হয়।
এখন প্রশ্ন উঠতে পারে জনগণের এই বিকল্প ব্যবস্থা কি হতে পারে?
জনগণ যে ব্যবস্থাই নিক না কেন, দুভাবে নিতে হবে,

গঠনমূলক-ভাবে অথবা ধ্বংসাত্মক-ভাবে। আগেই বলেছি, প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলো গঠনমূলক বিকল্প ব্যবস্থা’র পথ অবরুদ্ধ করে রেখেছে। দলগুলোর এই দৃষ্টিভঙ্গির যদি পরিবর্তন না হয় অথবা নিজেদের মধ্যে আমূল পরিবর্তন না আনে তবে জনগণ ধ্বংসাত্মক বিকল্প ব্যবস্থার দিকে যেতে বাধ্য হবে। যার পরিণতি হবে ভয়াবহ এবং হয়তোবা জাতিকে এজন্য চরম মূল্য দিতে হবে।

(বি দ্রঃ আমার লেখায় যারা আহত হয়েছেন তাদের কাছে আমি সত্যিই ক্ষমাপ্রার্থী। তবে যেভাবে সত্যের অপালাপ চলছে আমার মত গুটিকয়েক যদি সত্যভাষণ না করেন আপনারা বিষেদাগার করবেন কাদের বিরুদ্ধে। মিথ্যা ইতিহাস চর্চা করে কোন বিশেষ মহলের নিকট থেকে প্রশংসা প্রাপ্তি আমার লেখার উদ্দেশ্য নয়। আমি অনুরোধ করব, সত্য যতোই কঠিন হোক না কেন চলুন সবাই সত্যকে ধারণ করি, সত্য ইতিহাস চর্চা করি, আর ইতিহাসে যার যে স্থান প্রাপ্য তাকে যেন সে স্থান দিতে কার্পণ্য না করি।)