ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

জাতি হিসাবে আমরা আজ ও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি তা আর একবার প্রমাণ পাওয়া গেল। ভাগ্য ভাল আমাদের যে আমরা একই অভিজ্ঞতা বার বার নিতে পারছি! আমরা খুব বেশী শিক্ষিত না আবার কমও না।আমাদেরই কর্ণধার কেউ বড় বড় ডিগ্রি অর্জন করছে।কেউ আবার সম্মাননা সূচক বিভিন্ন ডিগ্রি পেয়ে যাচ্ছে।কেউ স্ব-শিক্ষিত হয়ে সুনাম কুড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। বুঝার উপায় নেই আমরা কোন পর্যায়ে আছি!আমি একটি গল্পের মাধ্যমে আমাদের জাতি সত্ত্বার পরিচয় তুলে ধরতে চাই।

”ভাই ভাইয়ের সম্পর্ক বেশ ভালই আপাত দৃষ্টিতে মনে হলে ও প্রায় দিনই ভাই ভাইয়ের মজা দেখার জন্য প্রতিবেশী বা দূরদেশী দাদাকে দাওয়াত দেই। বিচার বসায় ভাইয়ের সাজা দেওয়ার জন্য! দাদাও তেমন, যে বেশী তেল মাথাতে পারবে,বেশী দাওয়াত দেবে, পূজা করবে তাকেই তো দাদা পছন্দ করবে বেশী! দাদার দাদাগিরি দেখার ভাগ্য কজনের আছে? দাদার চামড়া আবার সাদা, তো দাদা যাই বলুক না কেন তা বাইবেল,পালন কর চোখ বুজে। দাদা ভাই বিচার করেন মন মত।তিনি চান কি করে নাতিদের নিজ আয়ত্ত্বে রাখা যায়। ঘাড়ের উপর কাঁঠাল ভেঙ্গে খাওয়া যায় । দাদার এহেন আচরণ নাতিদের মনে কোন দাগ কাটে না।নাতিদের উদ্দেশ্য আপাতত যা আসে তা নিয়ে খুশি থাকা। অনেক সময় বিচার করতে করতে দাদু ভাই নাতিদের পরিধেয় পর্যন্ত টান দিতে কৃপণতা পোষন করে না। তবুও দাদুকে আমার চাই…..ই চাই “।

আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের আচরণ দাদু নাতির গল্পের মত।দাদুকে যদি ভিনদেশী বোদ্ধা হিসাবে ধরি আর দেশের রাজনীতিবিদদের যদি নাতি হিসাবে ধরি তাহলে বর্তমান সময়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রি হিলারি ক্লিনটন আগমন উপলক্ষে যে আয়োজন এবং বিচার চাওয়ার যে প্রক্রিয়া তা দেখে মিল পাওয়া যায়। আসলে আমি কি অনধিকার চর্চা করে যাচ্ছি ! নাতিরা তো সবাই একই রকম। তাদের আবার চরিত্র। সবার চরিত্রই ফুলের মত পবিত্র ! নাতিরা হয়ত ভাবে অতিথি নারায়ণ। ভগবানের পক্ষথেকে অতিথির প্রেরিত ।সুতরাং তার মতামত দেওয়া বা নেওয়া নাতিদের জন্য শিরোধার্য।