ক্যাটেগরিঃ ইতিহাস-ঐতিহ্য

 

পিরামিডের কথা উঠতেই যে দেশগুলোর নাম আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে তার মধ্যে মিসর, মেক্সিকো, পেরু প্রভৃতি দেশের নাম | স্কুলের প্রাথমিক জীবন থেকেই আমরা সকলেই বিশেষভাবে কম বেশি পরিচিত মিসরের পিরামিডের সাথে | অন্যান্য দেশগুলোর পিরামিড সম্পর্কে বলতে গেলে প্রায় তিমিরেই ছিলাম | পরবর্তীতে প্রযুক্তির বিস্তৃতি লাভের সাথে সাথে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি | পৃথিবীর সভ্যতা বিকাশের অনেক অজানা তথ্যই এখন মানুষের হাতের মুঠোয় | সেই রকম একটি পিরামিডের কথা শেয়ার করব আপনাদের সাথে |

চীন তেমনই একটি দেশ যে দেশের প্রাচীন নাগরিকরা আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে তৈরি করেছিল অপার সৌন্দর্যের প্রতীক চীনা পিরামিড | প্রত্নতত্ত্ববিদরা নানা গবেষণার মাধ্যমে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন যে, চীনা পিরামিডগুলো কোন রাজার আমলে তৈরি করা হয়েছিল | খ্রিস্টপূর্ব-১৫৭-৮৭ অব্দে সম্রাট “লিউ চে” চীনা পিরামিডগুলো তৈরি করেছিলেন | তবে তৎকালীন এগুলো মন্দির হিসেবেই পরিচিত ছিল | সিয়ান পাহাড়ের পাদদেশে সম্রাট “লিউ চে” শত শত মন্দির তৈরি করেন |

চীনা সভ্যতার এই নিদর্শনগুলো আজও আমাদের কাছে আলোড়িত নয় কেন ? গবেষকরা এক্ষেত্রে বলেন, চীনা পিরামিডগুলো চীনের যে রাজ্যে তৈরি করা হয়েছিল তা ছিল স্থাপত্য বা স্থাপনা তৈরির সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত জায়গা | যে কারণে পিরামিডগুলো স্থায়ী হয়নি | পিরামিডগুলোর অস্তিত্ব সেভাবে সিয়ান প্রদেশে না থাকলেও এখনও ধ্বংসাবশেষ রয়ে গেছে | যার মাধ্যমে প্রাচীন চীনা সভ্যতার অনেক নিদর্শনই খুঁজে পাওয়া যায় | গবেষকরা হারিয়ে যাওয়া এই পিরামিডের মাঝে খুঁজে পেয়েছেন হাজার বছরের পুরাতন কাঁসা, পিতল, লৌহ, মুদ্রাক্ষর ও নাম না জানা অনেক উপকরণ | যে উপকরণের সঙ্গে মিশে আছে হাজার হাজার বছরের পুরাতন চীনা ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সভ্যতা |

নিম্নের ভিডিওটিতে আরও অনেক অজানা তথ্য পাওয়া যাবে | এ ছাড়াও গুগল সার্চে ” White Pyramid ” লিখে প্রচুর তথ্য পেতে পারেন |