ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

বাংলাদেশ এটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। ৭১’র যে মহান আত্মত্যাগের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় আর্জন সম্ভব হয়েছিল তা এ প্রজন্মকে গর্বিত করে। ইতিহাসের নির্মমতায় আরা আরো কিছু অধ্যায় পার হয়ে এসেছি। দুর্ভিক্ষ-লুট-রাষ্ট্রনায়কের হত্যা-উর্দিধারীদের রাজনীতিতে প্রবেশ-স্বৈরশাসন-গণতান্ত্রিক আন্দোলন। স্বৈরচারী এরশাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্যদিয়ে গেছে আমাদের তারুণ্য। স্বৈরচারী এরশাদ গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে পুনর্বাসিত হবে তা আমাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত! গণরোষ থেকে বাঁচাতে যদি বিচারপতি সাহাবুদ্দিন সাহেব জেলে না ঢুকাতেন-আজ তার কবর জেয়ারত করার মানুষ পাওয়া যেত কিনা সন্দেহ! ক্ষমতায় থাকার জন্যে হেন কাজ ছিলো না হোমো এরশাদ করেনি। ছাত্র হত্যা-গুম-মিছিলে ট্রাক তুলে দেওয়া-রাজনীতিবিদদের কেনাবেচা-রাষ্ট্রিয় সম্পদের হরিলুট-প্রতি জুমার রাতে স্বপ্ন দেখা ,তমুক মসজিদে নামাজ পড়ার-এবং নারী চর্চার। কিন্তু গণতান্ত্রিক আয়োজনে ক্ষমতায় আরোহণের জন্যে আওয়ামীলীগ যখন তাকেও সহযোগী করলো- জনগণ তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলো।কিন্তু আজ গণতন্ত্রের নামে কি হচ্ছে?

১। দশ বছরের গণ আন্দোলনের ফসল নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ধারণাকে বাতিল করা হলো গণতন্ত্রের সাথে খাপ খায় না বলে
২। বর্বর ভাবে লাঠিপেটা করা হছে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপকে- গণতন্ত্রে নামে।
৩। সমস্ত বিরোধী দলের অফিস ও নগরীর মসজিদ গুলো অবরুদ্ধ করা হয়েছে- গণতন্ত্রে নামে।
৪। জাতীয় সম্পদকে তুলে দেওয়া হচ্ছে বিদেশী কোম্পানিকে তাদের বিদেশী প্রভুর ইশারায়-জনমতকে উপেক্ষা করে

দলন-নিপীড়ন এ কোন গণতন্ত্র?রাষ্ট্রের কি নূন্যতম কোনো নৈতিকতা থাকবে না?শুধুই কি ক্ষমতায় যাওয়া আর টিকে থাকার প্রতিযোগিতা চলবে?রাষ্ট্র নামক প্রতিষ্ঠান কি কোনো সভ্যতা অর্জন করবে না?বোধ সম্পন্ন মানুষেরা আসুন যে যার অবস্থান থেকে কথা বলি সভ্য ভাবে বেচে থাকার তাগিদে। আমাদে বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রিয় আর্জন করুক নাগরিক নিয়ম নীতি-সামাজিক ও রাষ্ট্রিক মূল্যবোধ। বর্বর হিসেবে যেন চিহ্ণিত না হই বিশ্ব সমাজে।