ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

 

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগকে আমরা বলি ডিজিটাল যুগ। আর এই ডিজিটাল যুগে মানুষের প্রধান বাহক হলো মোবাইল ফোন। কী নেই এই ক্ষুদ্র জিনিসটাতে? আমার মনে হয় বাংলাদেশর জনসংখ্যার দিক থেকে এর পরিমান বেশী। প্রয়োজন অপ্রয়োজনে সবার হাতেই দেখা যায়, কেউ কাজের প্রয়োজনে কেউবা শখের বসে..। কেউ গান শোনে, কেউ ছবি তোলে আবার কেউবা এই ক্ষুদ্র জিনিসটা দিয়েই দুনিয়ার খবর রাখে। এক একজনের চাহিদা এক এক রকম এক একজনের প্রয়োজন এক এক রকম। আমরা এর দ্বারা যতটানা সুফল পাচ্ছি ততটাই ক্ষতিহচ্ছি যার কারন সঠিক ভাবে এর ব্যাবহার না করা, যেমন-
দৃশ্য-০১:মি:কালাম (ছদ্ম নাম) এম বি এ শেষ করে একটি শিপিংলাইনে পরিচালক হিসেবে কমরত। হঠাৎ একদিন একটি অপরিচিত মোবাইল নাম্বারথেকে কল আসল মি:কালাম ফোন রিসিব করে কথাবলে রংনাম্বার বলে লাইন কেটে দিল।ঠিক তার পরের দিন ঔ নাম্বার থেকে অাবার কল অাসল যথাসময়ে মি:কালাম ফোন রিসিব করল পরিচয় জিঙ্ঘেস করতেই অপর প্রান্ত থেকে একটি মেয়ে কন্ঠ ভাইয়া অাপনার মোবাইলে গানাটা ভালো লাগল তাই কলদিয়ে মুনলাম। এ ভাবেই মেয়েটির সাথে মি:কালাম এর পরিচয় পরিচয় থেকে দিঘ অালাপ যা এক সময় ভালোবাসয় রুপান্তর।

কী আশ্চর্য, ভালোবাসা যাকে কখনো দেখিইনি একটু আলাপেই এত ভালোবাসা সত্যিই প্রশংসনীয়..ভালোবাসায় কারোই যেন তর সইছেনা এখন শুদু শুভদিনের অপেক্ষা….। ভালোবাসার অাকাশে হঠৎ কালোমেঘ কারন এর মাঝেই মি:কালাম জানতে পারে ময়েটি যা বলছে সবই মিথ্যে এমন কী মেয়েটির ফেসবুক এ যে পিকচার ত অন্য আর একজনের।

দৃশ্য-০২:রিয়া (ছদ্ম নাম) বিবিএ পড়াশোনা করে চট্রগ্রাম একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে। মোবাইলে পরিচয় হয় ঢাকার বসবাসরত করিম (ছদ্ম নাম)এর সাথে। করিমএর পরিচয় তার বাবা মা কানাডায় থাকে এখানে তার এক্সেপাট ইমপোট এর ব্যাবসা অাছে সেই সুত্রে প্রায়ই চট্রগ্রাম অাসাযাোয়া ছিল। ভালোবাসার টানে সবই উজার করে দিয়েছিল রিয়া। কখনো সি বিস, কখনো কক্সবাজার ভালোবাসার মানুষটাকে নিয়ে কতইনা অানন্দ ভ্রমন…।যখন রিয়া যানতে পারল করিম বখে যাোয়া একজন ধনীর দুলাল নেশাই যার একমাত্র পেশা। ততক্ষনে যে সবই হারিয়ে ফেলছে রিয়া।

দৃশ্য-০৩: অামার জন্মসুত্রে বাড়ি বরিশাল হলেো চাকুরি সুত্রে চট্রগ্রাম বসবাস, মা বাবা গ্রামের বাড়িতে থাকেন, মা বাবার সাথে যোগাযোগ রাখার জন্য মা কে একটি মোবাইল দিয়েছিলাম যদিো মা সঠিকভাবে অপারেটিং করতে পারেনা তাই কীভাবে রিসিব করতে হয় তাকে দেখিয়ে দিয়েছি ফোন অাসলে সবুজ বাতিটা দিয়ে রিসিব করতে। একদিন মাকে কে একজন ফোনকরে প্রথমে কোরঅান ো হাদিস এর অনেক ব্যাখ্রা মুনিয়েছেন, তার পরের ঘটনা। অাপনার এক ছেলে ঢাকা থাকে অার এক ছেলে চিটাগাং থাকে োদের সামনে অনেক বিপদ। যা শুনে একজন ময়ের মন কী হতে পারে ত অামরা কম বেশী সবাই যানি। মাকে বল্ল যদি অামার এ নাম্বারে এখনই ৩০০০ টাকা পাঠান ইন্শঅাল্লা অাপনার ছেলেদের সকল বিপদ কেটে যাবে তবে কাউকে বলবেনা। মা এর মন সন্তানের মঙ্গলের জন্য কী না করতে পারেন? অমনি কাউকে কিছু না বলে দোকানে গিয়ে নাম্বারটি বের করলেন এবং যথারিতী মা তাই করলেন। মা অামাদের কাউকে বলেননী কারন সন্তানের অমঙ্গল হবে বলে। ঘটনাটি যানতে পারলাম অনেক দিন পরে পাশের বাসার একজন থেকে।জানার পরে মাকে কিছুই বলতে পারলাম না, কারন যেভাবেই হোক মাত অামাদেরই মঙাগল চেয়েছেন শুধু ভবিষৎএ যাতে এরকম না হয় তাই বলেদিলাম।
প্রিয় দশক, একটু ভেবে দেখুন যেখানে এ সমাজের শিক্ষিত ছেলে মেয়েরা অাধুনিক প্রযুক্তির ছোয়ায় প্রতি পদে পদে নিঃস্ব হয়, হারিয়ে ফেলে তাদের জিবনের মুল্যবান সম্পদ এমন কী কেউ কেউ বেছেনেয় মৃত্যুর মত কঠিন কাজটি সেখানে আমার মাকে কী -বা বলার আছে?

যে মোবাইলটি আপনি কিনেছিলেন শখের বসে সেটিই করেদিল আপনাকে/আমাকে নিঃস্ব।