ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

আমাদের দেশে ভাষাগত সমস্যা নাই যাহা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রয়েছে। আমাদের দেশে আঞ্চলিক কোনো সমস্যা নাই যাহা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে স্বাধীকার প্রতিষ্ঠার জন্য যুগ যুগ ধরে চলে আসতেছে। আমারা মুসলমান, হিন্দু বৌদ্ধ, খৃষ্টান সমন্বয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি একক একটি জাতি। আমাদের মধ্যে মুসলমান সংখ্যা গরিষ্ঠ হলেও কখনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ হয় নাই, সংখ্যাগুরুর পবিত্র ধর্ম ইসলাম অন্য ধর্মাবলম্বীর ধর্মী স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ অনুমোদন করেনা। আমাদের আলেম ওলামারা কখনও অন্যন্য ধর্মাবলম্বীর ধর্ম বিষয়ে কথা বলেন নাই, প্রশ্নের উত্তরে আলেম ওলামারা স্বীয় মুসলমান ভাইদেরকে স্পষ্ট করে বলেছেন উনারাও আল্লাহর বান্দা, আল্লাহ যাকে হেদায়ত দিবেন শুধু তারই ঈমান নছীব হইবে অন্যথায় নয়, জোড় করে, প্রভাব খাটিয়ে কাউকে ঈমানদার বানানো যায়না, যদি তাহা হইত তাহলে রাসুল (সঃ) আপন চাচাকে ঈমানদার বানাইতে পারিতেন। সকল মুসলমান ভাইদের জানা উচিত যে, রাসুল (সঃ) যখন চাচা আবু তালেবকে বারবার ঈমান আনয়নের কথা বলছিলে তখন আল্লাহপাক বলেছেন হে রাসুল (সঃ) আপনার কাজ দাওয়াত দেয়া হেদায়ত আপনার রবের হাতে। দুনিয়ার সমস্ত ঈমানদার শুধু দাওয়াতের কাজই করে কাউকে জোড় করেনা, এটিই পবিত্র ধর্ম ইসলামের উসুল। বাংলাদেশের প্রত্যেক মুসলমান দ্বীনের এই উসুলকে ধারণ করে তাই আমাদের দেশে কখনও সাম্প্রদায়িক দাঁঙ্গা হয় নাই। এখন ভিন্ন কৌশলে যাহা হচ্ছে তাহা একদিকে মুসলমানকে বদনামি করা অন্যদিকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে তোলা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে। তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, কোনো ভাবেই এইসব কৌশলীদের বিস্তৃতি ঘটতে দেয়া যায়না।