ক্যাটেগরিঃ ভ্রমণ

 

আমি এই লেখাটা বা তথ্য শেয়ার করতে আগ্রহী হই যখন বিবিসি তে আমাদের ট্যুরিজ্ম –এর স্বর্গ বা ক্যাপিটাল হিসাবে পরিচিত কক্সবাজার নিয়ে প্রতিবেদন দেখি(২৬ ডিসেম্বর ২০১২)। কী ভয়ানক ভাবে আমাদের এক মাত্র
কী ভয়ানক ভাবে আমাদের মাত্র সমুদ্র সৈকত যা পৃথিবীর সব চেয়ে বড় প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত , উন্নতির নামে চিরতরে হারিয়ে দেবার পায়তারা চলছে।
কী হচ্ছে ওখানে? তার সারমর্ম নিম্নে দেখুন-

• নিয়ম বহির্ভূত বিল্ডিং নির্মাণ

হোটেল, রেস্তোরা কক্সবাজারর –এর সব জায়গায় নিয়ম ভেঙে শত শত বিল্ডিং, এপার্টমেন্ট ব্লক, রেস্তোরা ছত্যাকের মত গড়ে উঠতেছে, এমনকি প্রদান সৈকত- এ বিপণি দোকান রয়েছে, যা ক্ষতিকর সৈকত- এর জন্নে। পরিবেশবিদ –দের মতে যদি এভাবে নিয়ম ভেঙ্গে বিল্ডিং গড়ে উঠতে থাকে , তাহলে একদিন আমরা পুরা সৈকত হারিয়ে ফেলব চিরতরে। যদিও সরকার ঘোষণা করেছে সব অবৈধ বিল্ডিং সরানো হবে কিন্তু আজো এই ঘষোণা কার্যকর হইনি , কারণ সরকারের সদ-ইছা এবং এমন কি নিজেরও বিল্ডিং রয়েছে সৈকত এলাকাতে।

• পরিবেশের অবেবস্থাপনা
নিয়ম ভেঙ্গে বিল্ডিং নির্মাণের কারনে সৈকত সহ এর আশে পাশের এলাকা ক্ষতিগস্ত হচ্ছে। নিয়মের বাহিরে পরিবেশের কথা না ভেবে বৃক্ষ নিদন এবং পাহাড় কাঠা চলছে, যার ফলে যে কোন প্রাকিতিক দুর্যোগে মানুষের জান-মালের ক্ষতি হচ্ছে।

পর্যটকদের অসচেতনা

সুনির্দিষ্ট কোন পর্যটন নিয়ম না থাকার কারনে এবং অতিরিক্ত পর্যটক –দের মাধ্যমে –এ মেরিন পরিবেশ ক্ষতিগস্ত হচ্ছে, যেমন পর্যটকরা উপহার বস্তু হিসাবে বাড়ি্ নিয়ে আসে। তারফলে, দোকানদার এবং লোকাল রা আশে পাশের সমুদ্র সৈকত থেকে কোরাল সঙ্গহ করে।

আরেক টা বিষয় হল যথাযত পর্যটন নিয়ম এবং পর্যটকরা পরিবেশ ব্যাপারে সচেতন না থাকার কারনে , তারা যেখানে সেখানে ময়লা, আবর্জনা এবং প্লাস্টিকের বোতল ছুরে ফেলছে সৈকত এলাকাতে যা পরিবেশের জন্যে ক্ষতিকর।
প্রাচীন সমুদ্র সৈকত, সারি সারি গাছ, সূর্যের জল-মল আলো কী নাই আমাদের এই সৈকতে ? একটা সৈকতে প্রাকিতিক যা যা থাকা দরকার তার পর্যটনের ক্ষেতে তার সব টুকুই আমাদের আছে, নাই সুদু সুস্থ ব্যাবস্থাপনা এবং সঠিক পর্যটক নিয়ম কানুন। আমাদের সরকার এই সৈকতকে বিশ্বের কাছে তুলে দড়ে আগামী ১০ বছরে পাঁচ ৫ বিলিয়ন টাকা আয় করতে চাচ্ছে । তবে বর্তমান অবস্তানে তা কখনও সম্ববনা নাই। যদি সরকার এখন কোন সঠিক বেবস্তা না নেয় তাহলে এই সম্ভাবনা অচিরেই হারিয়ে যেতে পারে চিরতরে।

মতামতঃ
আমাদের দেশ ট্যুরিজ্‌ম দেশ হিসাবে পরিচিত হউক সারা বিশ্বে এটা আমরা সবাই চাই কারন ট্যুরিজ্‌ম সুদু আমাদের বৈদেশিক মুদ্রাই অর্জনে সাহায্য করেনা, আরও নানা ভাবে উপকার করে আমাদের অর্থনীতিতে । তবে এর জন্যে সঠিক ট্যুরিজ্‌ম এবং নিয়ম থাকা দরকার। যেমন-

একটা ট্যুরিজ্ম পক্রিয়া যার মাধ্যমে সরকার তার স্বপ্ন কে বাস্তবায়ন করতে পারে। কারণ এই ট্যুরিজ্ম এর মাধ্যমে পরিবেশ, অর্থনৈতিক, এবং পর্যটন সব এই রক্ষা হয়। Responsible ecotourযা কমিয়ে আনে খারাপ প্রভাব পরিবেশের উপর, পর্যটনের জায়গার উপর, এবং আসে পাশের লোকালদের উপর। এই ট্যুরিজ্ম পর্যটক এবং পর্যটন আয়োজকদের দায়িত্বশীল করে তুলে সব ব্যাপারে।

এই ট্যুরিজ্ম এর অধিনে আছে কিবাবে পর্যটকদের সচেতন করা যায় পরিবেশ-এর ব্যাপারে এবং পর্যটন এলাকা কিভাবে সঠিক ভাবে চলবে পর্যটন যায়গা এবং পরিবেশের ecology ঠিক রেখে।
সরকারকে আমাদের সৈকতের ধারন ক্ষমতা , মানে পর্যটকদের আগমন নিয়ন্তন এবং তাদের কে পরিবেশ এবং সামুদ্রিক প্রাণী বা সম্পদ , যেমন কোরাল এর ব্যাপারে সচেতন করা দরকার। পর্যটকদের বুঝানো দরকার Responsible Ecotourisকি, তাহলে তারা সচেতন হবে যার মাধ্যমে আমাদের সামুদ্রিক কোরাল বেঁছে যাবে এবং পরিবেশের উপর বিরুপ প্রবাব পরবেনা।

আমাদের সরকার যদি এই ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি প্রাকেতিক সৈকতকে সঠিক নিয়মে গড়ে তোলে তাহলে এটা থাইল্যান্ড –এঁর পাততাইয়া এবং বিশ্ব –এর আরও সেরা সৈকত –এর মত একটা হবে।