ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 
A+

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বিগত বছরের মত এবারও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনির ফলাফল নিয়ে মহাউৎসব চলছে মেধা যাচাইয়ের নামে।যার হাওয়া আমরা চতুর্দিকে দেখতে পাই।আর সরকারও তার বাহুল্য নিচ্ছে যে এটা তার সাফল্য।  পরীক্ষার ফলাফল,মানে গ্রেড নিয়ে আমরা এতো উৎদিগ্ন হই যে পড়াশুনার আসল মর্ম ভুলে যাই।যার ফলে অবিভাবক, ছাত্র, শিক্ষক সবাই জ্ঞান অর্জন বাদ দিয়ে গ্রেড অর্জনের পিছনে ফলে কোমল মতি শিশুদের এক অংশ ভালো গ্রেড নিয়ে জ্ঞান অর্জন থেকে পিছিয়ে থাকছে। আর আরেক অংশ ভালো না করে হীনমন্যতা নিয়ে পিছিয়ে থাকছে।অথছ যে বয়সে শিশুরা আনন্দের সাথে শিখবে, তা না করে কঠিন মুখস্ত সর্বস্ব তোতাপাখির মতো মমি করছে ভালো গ্রেড এর জন্য।যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও জাতির মেরুদণ্ড কে ধ্বংস করছে।

যাই হোক যে কারণে লেখতে বসা সেটা হলও-লালমনিরহাটেরহাতীবান্ধাউপজেলার১নংসরকারীপ্রাথমিকবিদ্যালয়েরএকশিক্ষার্থীপ্রাথমিকসমাপনী ( পিএসসি ) পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও জিপিএ ৫ পেয়েছে।এ ঘটনাটি ওই এলাকায় ‘টপ অব দ্যা টাউনে পরিনিত হয়েছে। ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহ আলম ও শাপলা আক্তার জানান, এ বছর প্রাথমিক সমাপনী (পিএসপি) পরীক্ষা’তে ওই বিদ্যালয় থেকে ৯১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে অনুপস্থিত ছিল পুর্ব সিন্দুনা গ্রামের হাছেন আলী পুত্র সাজ্জাদ ইসলাম শাকিব। যার রোল নং ২৪৩৫। কিন্তু মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, সাজ্জাদ ইসলাম শাকিব পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলেও ফলাফলে জিপিএ ৫ পেয়েছে। (সুত্রঃদেইনিকআমারদেশ.কম৩১.১২.২০১৪)

এই খবর দেখার পর আর বলার উপায় থাকে না যে আমাদের প্রশাসন কত উদাসীন বা দুর্বল। মাননীয়ও শিক্ষামন্ত্রী  সময় থাকতে সজাক হন। জাতির মেরুদণ্ড কে রক্ষা করুণ। ছোটো বেলায় আমার নানী কে দেখে ছিলাম, বাড়ি থেকে অনেক গোলো পেঁপে গাছ কেটে ফেলেছে। তখন নানী কে প্রশ্ন করতে বলে ছিল এগুলোতে ফল হোবে না, যদিও ফুল আছে। কারণ ফল হবার জন্য জা দরকার তা নাই।তাই আমার মণে হচ্ছে এই জ্ঞানহীণ পরীক্ষা বিহীন গ্রেড A+ এ জাতি বা এই শিশুর কোন কাজে আসবে না, ঐ যোগ্যতা হীন গাছের মতো।যা আমরা এবারের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় দেখতে পেয়েছি।

মাননীয়ও শিক্ষামন্ত্রী পদক্ষেপ নিন, প্রশ্ন ফাঁসের সময় ৎ বলে ছিলেন সাজেশন র এখন?? তাই আমার আকুল আবেদন সময় থাকতে কাজ করুণ র টা না হলে পুরা জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে, সেই সাথে শিশুর ভবিষ্যৎ।