ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

মাহফুজুর রহমানের বক্তব্যের অনেক আগেই বোঝা যাচ্ছিল যে সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের সাথে উপর মহল ভাল ভাবেই জড়িত। আর এখন বোঝা যাচ্ছে যে শুধু জড়িত নয় এর সাথে জড়িতরা তাদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চলছিল বা এখনো । এটা বাংলাদেশ । তাই এখানে অনেক কিছুই সম্ভব। আমাদের দেশের পুলিশের সম্পর্কে আমাদের ধরণ ভালই আছে। হাতে গোনা দুই একজন ছাড়া সবাই তোষামোদিতে ব্যস্ত বা ক্ষমতাসীনদের রিমর্টে চলিত। এক্ষেত্রে রেব কিছুটা ব্যতিক্রম । তাই হয়ত অপরাধীরা কিছুটা ভয় পেয়ে গেছে। নানা ঘটনার মাধ্যমে এ সংবাদ চাপা দেয়ার চেষ্টা করেছে । বের্থ হয়ে অপপ্রচার শুরু করেছে প্রায়ত সাংবাদিক দম্পতির নামে।তাদের ভয় কেঁচো খুররতে গিয়ে সাপ না বের হয় , তবে তারা এটা ভুলে গেছে এটা কোনও রাজনৈতিক ইস্যু নয়। জনগণ এটা ভুলবে না। তবে মাহফুজুর রহমান এর এহেন বক্তব্যের পরও যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কিছু বুঝতে বাকি থাকে তবে আর কিছু বলার নাই। আমার বরং বিস্ময় জাগছে এই ভেবে যে মাহফুজের ঘটনার আর কেউ কিভাবে নির্ভয়ে সাংবাদিকতা করবে? রেব অথবা সরকার কিছু করুক বা নাই করুক সাংবাদিকদের আত্মকল্যাণে এর বিহিত করতেই হবে। নিজের ঘরে সাপ রেখে বোনের মহিষ তাড়ানোর মনে হয়না । তাই আগে এই দু’মখো সাপগুলোর বেবস্থা করতে হবে নইলে সবারই পরিণতি সাগর-রুনির মত হবে। শীঘ্র যদি এর ব্যবস্থা না নেয়া হয় তবে আমদেরই এর জন্য মাঠে নামতে হবে।