ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

বেসরকারি দুর্নীতিবাজ কারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ?

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দূর্নীতি তদন্তে যদি সরকারের পূর্বানুমতির বিধান করা হয়, তাহলে প্রশ্ন- কাদের দূর্নীতি তদন্তের জন্য এই দূর্নীতি কমিশন ? বেসরকারি দুর্নীতিবাজ কারা?বেসরকারি দুর্নীতিবাজ যদি কেঊ থেকেও ত্থাকে, তাহলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া,সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভাগবাটোয়ারা দেয়া ছাড়া বেসরকারি কারো দূর্নীতি-লুটপাট করার অবকাশ কোথায়?

খবরে প্রকাশ,স্বাধীনতার পর এ এপর্যন্ত,দেশে আসা দুই লক্ষ কোটি টাকার দান-অনুদানের ৭৫ ভাগই হয়েছে লুটপাট। কারা করেছে এই লুটপাট?এই লুটপাটে বেসরকারি কেঊ যদি জড়িত থেকেও থাকে,সেক্ষেত্রেও এই বেসরকারি লুটেরা-দুর্নীতিবাজদের ধরার এবং দমন করার দায় দায়িত্ব তো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরই।যার জন্য রাষ্ট্রীয় বেতন-ভাতাদিতে তারা লালিত-পালিত।

খবরে আরো প্রকাশ,২০০৪ সালে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা,দপ্তর-অধিদপ্তরে ঘুষ লেন-দেন এর পরিমান ১৫ হাজার কোটি টাকা।কারা নিয়েছে এই ঘুষের টাকা? বেসরকারি কেঊ কি ? আরো কথা হলো,বেসরকারি লুটপাট,বেসরকারি ঘুষ বানিজ্য,বেসরকারি দূর্নীতি ইত্যাদিতে দেশের মানুষের তেমন কিছুই আসে যায়না।দেশের মানুষের মাথাব্যাথার কারন সরকারি এবং রাষ্ট্রীয় টাকা, তাদের তথা দেশের টাকা।সরকারি এবং রাষ্ট্রীয় টাকা ও সম্পত্তি,এগুলি যারা লুটপাট করে তারা বেসরকারি কেঊ নয়।বেসরকারি কারো সরকারি টাকা ও সম্পত্তি লুটপাটের সুযোগ নাই।থাকলেও সরকারি লোকদের যোগসাজস ছাড়া কোন অবস্থাতেই নয়।

এখন নানান ধরনের শর্তারোপ করে যদি দূর্নীতির মূল ক্যান্সার-দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষে দাঁড়ানো হয়,তাহলে জনগনের টাকায় এই দূর্নীতি কমিশন পালার আর কোন দরকার নাই।

এম আবুল হাসেম
২/সি,৫/১২,মিরপুর,ঢাকা-১২১৬,
mdhashem@gmail.com,Tel-01915720997