ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

নোবেল বিজয়ী ডঃ ইউনূস কে নিয়ে যা করা হয়েছে তা অবশ্যই দুঃখ জনক।বিশেষ করে স্বয়ং প্রধান মন্ত্রী ডঃ ইউনূসকে লক্ষ্য করে “সুদখোর,গরীব মানুষের টাকা মেরে খেলে একদিন ধরা খেতেই হয়” ইত্যাদি ধরনের যে ভাষা ব্যবহার করেছেন,তা ছিলো নিতান্তই বেমানান এবং দূঃখ জনক।স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এবং দলীয় প্রধানের এমন অবস্থানের সূত্র ধরে,সরকারি দলের কিছু অপরিপক্ক নেতা আর অতি হাসিনাপ্রেমী ছাত্রলীগ নামধারীরা,দেশের বিভিন্ন জায়গায়,বিভিন্ন সময়ে এ প্রসঙ্গে যে ভাষায় কথা বলেছে এবং যা যা করেছে,তা আরো অনেক অনেক বেশী দুঃখ জনক।আওয়ামীলীগের মতো একটি দলের দলীয় প্রধান এবং দেশের প্রধান মন্ত্রী,মত ও পথ নির্বিশেষে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতির সন্মানীয়দের,জাতির বরেন্যদের প্রতি যথাযথ সন্মান প্রদর্শন করবেন,যথাযথ সম্মানে ভূষিত করবেন এবং সমগ্র জাতি এই শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হবে,এই শিক্ষার আলোকে আলোকিত হবে,এমনটিই তো প্রত্যাশিত।

তবে এ প্রসঙ্গে ডঃ ইউনূস যা করেছেন তাও কিন্ত মোটেই প্রত্যাশিত নয়। কথিত বিদেশে লবিং এর কথা বাদ দিলেও,তিনি আদালতের দ্বারে দ্বারে উকিল-ব্যারিস্টারদের পিছনে যেভাবে ঘুরে বেড়িয়েছেন,তা শুধু দৃষ্টিকটুই ছিলো না,ছিলো তার মতো একজনের জন্য রিতিমতো বেমানান এবং অসম্মানের।তিনি-যাই হোক না কেন,দেশের সরকারি বিধানের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে,আদালতে না গেলেই ভালো করতেন।তিনি ভাবলে ভালো হতো যে,তার মতো একজন যদি সরকারি বিধি-বিধানের প্রতি,সে যাই হোক না কেন,শ্রদ্ধা না দেখান,তাহলে চলবে কি করে।সরকারি বিধি-বিধানের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো এবং মেনে চলা,দেশের মানুষ শিখবে কার কাছ থেকে?আর আদালত এবং আইন তো দেখবে,আদালত এবং আইনের বিধি-বিধান,ডঃ ইউনূস কে অথবা কি তা নয়।তিনি এভাবেই চিন্তা করলেই ভালো করতেন।কেননা নিজের সম্মানের হেফাজত সবার আগে নিজেকেই করতে হয়।