ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

“রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির আন্তর্জাতিক অভিধা থেকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে উন্নীত করেছিলেন।“-প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়ার ৩০তম মৃত্যু বার্ষিকীতে বলেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর।

হ্যাঁ, মির্জা সাহেব তলাবিহীন ঝুড়িতে বটেই,এমনতর একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর সার্বিকভাবে বিধস্ত-বিপর্যস্ত এবং ধবংস স্তুপ তুল্য একটা দেশের-একটা জাতির তলা,বাসন্তিদের পড়ার মত এক টুকরা কাপড় (এমনকি জালও-যা আপনারা সুযোগ পেলেই বলেন) ইত্যাদি না থাকাটাই স্বভাবিক।তখন আপনি কোথায় ছিলেন,দেশের মানুষ তা না জানলেও,তখনকার সার্বিক ভয়াবহতাটা এখনো ঠিক-ঠিকই অনুভব করতে পারে।

আর জিয়াউর রহমানের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি?মির্জা সাহেব,মুখস্থ নয়-দয়া করে তুলনামূলক সূচক এবং হিসাব প্রামান্যচিত্র সহ কথা বলুন।দেশের মানুষ এখনো ভুলে যায়নি,সামরিক শাসক কাম রাজনৈতিক নেতা হওয়ার অভিলাষ চরিতার্থে,জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় কোষাগার খোলে দেয়ার সেই অপরাজনীতির ইতিহাস।যার ফলশ্রুতিতে তার(জিয়ার) আমলের শেষদিকে পুরা আর্থিক সেক্টর এক নৈরাজ্যকর অবস্থায় নিপতিত হয়।জিয়ার অপরাজনীতির ছোবলে,জিয়ার সৈনিক নামধারী শ্রমিক নেতাদের দৌড়াত্বে সমগ্র ব্যাংকিং সেক্টর দেউলিয়া হয়ে পড়ে।পরবর্তিতে বিচারপতি সাত্তার ক্ষমতায় এসে যার লাগাম টেনে ধরেন।

এগুলি কোন মনগড়া বা তৈরী করা কথা নয়,এগুলি কাগজে কলমে এখনও লিপিবদ্ধ আছে।সে সময়ে মির্জা সাহেবের বিচরন কোথায় এবং কোন ক্ষেত্রে ছিলো জানিনা,তবে এখন খুঁজে দেখতে পারেন সব চিত্র-উপাত্ত পেয়ে যাবেন।