ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

জনাব ইনাম আহমেদ-সফরে আসা কোন রাষ্ট্রপ্রধানের প্রতি স্বাগতিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা প্রধানদের যারপরনাই সন্মান-সন্মাননা দেয়া বা প্রদর্শন করা(ব্যাতিক্রম বাদে)একটি প্রচলিত কূটনীতিক ধারা ও শিষ্টাচার।নানান ধরনের নজর কাড়া বিশেষণ সম্বলিত এমন সন্মান-সন্মাননা আমাদের হাসিনা-খালেদারা ও কম কিছু কিন্ত পাচ্ছেন না।যাক,বিদেশের মাটিতে আমাদের কোন রাষ্ট্রনায়ক বা নেতার,সে জিয়া-এরশাদের মতো স্বৈরাচারী সামরিক শাসকই হোক,আর হাসিনা-খালেদার মতো জনগন নির্বাচিত শাসকই হোক, তা দেশ এবং জাতিরই সন্মান-সন্মাননা।সুতরাং আপনার বর্ণিত,বিদেশী রাষ্ট্রনায়ক-রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক,সামরিক শাসক-কাম রাষ্ট্রপতি জিয়াকে দেয়া সন্মান-সম্মাননায়,আমরা সবাই গর্বিত।

জনাব ইনাম আহমেদ-পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ূব খান ও কিন্ত কোন ক্যু করে ক্ষমতায় আসেননি, নিজে সামরিক শাসন ও জারি করেন নাই।এর সবই করেছিলেন ইস্কান্দার মির্জা। জিয়াঊর রহমান ছিলেন একেবারে ঠিক ঠিক আইয়ূব খান মডেল।

আর আপনি একেবারে খাটি কথাটাই বলেছেন।তখন একদলীয় শাসন,১৫-আগষ্ট,সামরিক শাসন ইত্যাদি সবই করেছেন আওয়ামীলীগ নেতারা।আর কে করবে? তখন তো আর এই বি এন পি ছিলনা,জাতীয় পার্টি ছিলনা-সবাই ছিলো আওয়ামীলীগ।এই আমি,আপনি,কুখ্যাত মোশতাক,তাহের ঠাকুর।শাহ মোয়াজ্জেম,ফারুক-রাশিদ-ডালিম চক্র,এমনকি জিয়া-বেগম জিয়া পর্যন্তও, সবাই ছিলাম প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে আওয়ামীলীগ।আর এই অপকর্মগুলোর আমাদেরই কাজ।

জিয়াউর রহমান পরবর্তিতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।তাও সত্যি।তবে তা ৪/৫ বৎসর স্বৈরাচারী সামরিক শাসনের পর,রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার যাচ্ছেতাই অপব্যবহারে নিজের ভিতটা শক্ত করার পর,নিজের রাজনৈতিক অভিলাষ চরিতার্থ করার পর।দুনিয়ার তাবৎ সামরিক শাসকরা যা যা, যে যে ভাবে করে থাকে।ঠিক তা তা,সে সে ভাবে সব করার পর।