ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

আজকের(১০-৬-১১) প্রথম আলোতে জনাব আসিফ নজরুল “বিএনপি: এগোনোর পথ সহজ নয়” শীর্ষক এক নিবন্ধে বলেছেন,

১৯৯৬ সালে বিএনপিবিরোধী আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামীকে সাফল্যজনকভাবে আওয়ামী লীগ ব্যবহার করতে পেরেছে, এ জন্য তাকে জামায়াতপ্রীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হতে হয়নি। এবারও আওয়ামী লীগের সরকার রাষ্ট্রধর্ম বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ জন্য তাকে সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগে ব্যাপকভাবে অভিযুক্ত হতে হয়নি। তুলনায় বিএনপি বরং জামায়াত ও বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক শক্তি কর্তৃক ব্যবহূত হয়েছে, এদের ফাঁদে পা দিয়েছে এবং নিজের ভাবমূর্তি খুইয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বলা যায় যে, বিএনপি নামক দলটির গোড়াপত্তনই তো,সাম্প্রদায়িক শক্তি এবং স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের ওপর ভিত্তি করে। সুতরাং নুতন করে এদের ফাঁদে পা দিয়ে ভাবমূর্তি খোয়ানোর প্রশ্ন আসে কী করে? চির আওয়ামী বিদ্বেষ,না পাওয়ার বেদনা সহ নানান সমীকরণে, নানান সময়ে বিএনপিতে,মুক্তিযোদ্ধা,স্বাধীনতার স্বপক্ষের মানুষ সহ নানান চরিত্রের সমাবেশ ঘটলেও (যেমন ভারতের বিজেপিতেও ঘটেছে অনেক মুসলমানের সমাবেশ), বিএনপি’র মূল রক্ত প্রবাহ কিন্ত সাম্প্রদায়িক এবং স্বাধীনতা বিরেধী বলয়ের।

আর,“বিএনপির আমলে যেকোনো অনিয়মে সরব নাগরিক সমাজ বা দাতাগোষ্ঠীর কেউ কেউ যে এই সরকারের আমলে নিশ্চুপ করে থাকেন,” – এই কথাটি বোধ হয় বিবেচনার দাবি রাখে।