ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

হরতাল ডেকে হরতালের দিন একদল মাঠে নামে পিকেটিং এর নামে হরতালের পক্ষে।আর একদল মাঠে নামে হরতাল প্রতিহত করার নামে হরতালের বিপক্ষে।হরতালে যা এক নিয়মিত ধারা হয়ে দাঁড়িয়েছে।।যা শুধু হরতালের দিন সংঘাত-সহিংসতা এবং জ্বালাও-পোড়াও এর মূল কারনই নয়,ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে,গায়ের জোর খাটিয়ে এবং জোরজবরদস্তির মাধ্যমে জনগনকে হরতাল পালন করতে বা হরতাল পালনে বিরত থাকতে বাধ্য করারও নামান্তর।

হরতালের দিন পিকেটিং এর নামে হরতাল আহ্বানকারীদের দল বেধে মাঠে নামা,নিজেদের হরতাল নিজেরাই ভাঙ্গারও শামিল। হরতাল ডাকার পর,হরতালের পক্ষে,মিটিং-মিছিল এবং বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রচার-প্রচারণার পর,হরতালের আগের দিন এবং হরতালের দিন এই পিকেটিং কালচার বন্ধ করা হোক এবং দেশের মানুষকে শান্তিপূর্ণভাবে যার যার ইচ্ছামতো হরতাল পালন করার সুযোগ দেয়া হোক।

“ হরতাল শুরু হওয়ার ৭২ ঘন্টা পূর্ব থেকে হরতাল শেষ হওয়া পর্যন্ত,একমাত্র আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ছাড়া,হরতালের পক্ষে-বিপক্ষে কোন দলই মাঠে নামতে পারবেনা”-এই মর্মে সরকার একটি বিধি-বিধানও জারি করতে পারে।