ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশানাল বাংলাদেশ(টি আই বি),বর্তমান সংসদের দ্বিতীয় থেকে সপ্তম অধিবেশনের ওপর ভিত্তি করে,‘পার্লামেন্ট ওয়াচ শীর্ষক’ পর্যবেক্ষন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ।যেখানে,সংসদে প্রধান বিরোধীদলের অনুপস্থিতির ক্রমবৃদ্ধির হার,সংসদ নেতা ও প্রধান মন্ত্রীর ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ কার্যদিবস উপস্থিতির বিপরীতে,বিরোধীদলীয় নেতা খলেদা জিয়ার কেবলমাত্র ২ দশমিক ৯ কার্যদিবস উপস্থিতি,কোরাম সংকট,কোরাম সংকটের কারনে আর্থিক ক্ষতির পরিমান,ইত্যাদির একটা বিশদ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

যার মধ্যে “বর্তমান এই সংসদের দ্বিতীয় থেকে সপ্তম অধিবেশন পর্যন্ত কেবল মাত্র কোরাম সংকটের কারনেই আর্থিক ক্ষতির পরিমান ১৮ কোটি ৭১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা”-এই ব্যাপারটিই আমার কাছে সবচেয়ে বেশি প্রনিধানযোগ্য এবং মূল উদ্বেগের বিষয়।

আসলে আমাদের এই বিশ্বসেরা এবং গরীবের শ্বেতহস্তী তুল্য সংসদ ভবন নিয়ে অনেকেই গর্ব করেন,কিন্ত আমার কাছে ইহা মোটেই গর্বের কোনো কিছুতো নয়ই বরং গরীবের টাট্টুঘোড়া তুল্য একটি চরম বেমানান, অসহনীয় ও মর্ম পীড়নের ব্যপার।সার্বিক বিবেচনায় আমাদের জন্য মানানসই হলো,কাঠের চেয়ার-টেবিল এবং এসি বিহীন স্বাভাবিক ইলেকট্রিক ফ্যান ওয়ালা একটি টিনের ঘর বা বড়জোর একটি সাদামাটা দালানঘর।

আমাদের মতো গরীবের দেশে এমনতর শ্বেতহস্তী তুল্য ব্যয় বহুল সংসদ ভবন,চরম বেমানান এবং ক্ষতিকর বিলাসী চিন্তারই ফসল।ইহা নিয়ে গর্ব করার কিছু নেই বরং ইহা আমাদের গলার কাঁটা এবং মাথা ব্যাথার কারন।