ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

হায়রে পুলিশের লাঠি!এর কি কোন বাছবিচার নাই?চোরের পিঠও যা,নেতার পিঠ বা অধ্যাপকের পিঠও তা?পক্ষের পিঠও যা আর বিপক্ষের পিঠও তা?সবই যেন গরু-ছাগলের পিঠ?
বিগত আমলে এই পুলিশের লাঠি,প্রতি পক্ষের বাঘা বাঘা নেতাদেরকে পর্যন্ত রাজপথে ফেলে গরু ছাগলের মতো পিটালেও,অন্তত পক্ষ-বিপক্ষ বলে একটা বাছ-বিচার,রাখ-ঢাক ছিলো। এ আমলে আর সেটাও নাই।পিঠ পেলেই হলো। সে পিঠ প্রতি পক্ষেরই হোক আর স্ব পক্ষেরই হোক। সে পিঠ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদেরই হোক আর ডঃ কামাল হোসেনেরই হোক,মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমেরই হোক আর বা কামাল লোহানিরই হোক, রাসেদ খান মেননেরই হোক আর হাসানুল হক ইনুরই হোক,মহাজোটের পক্ষেরই হোক আর বিপক্ষেরই হোক।

অবস্থা দেখে মনে হয়,আজ যদি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এবং তাজউদ্দিন-সৈয়দ নজরুলরা জীবিত থাকতেন ,আর তারাও যদি কোন কারনে কোন শান্তিপূর্ন কর্মসূচী বা মিছিল নিয়ে রাজপথে নামতেন,এই পুলিশের লাঠি বোধ হয় তাদের পিঠকেও রেহাই দিতো না!!হায়রে পুলিশের লাঠি!!

দেশের মানূষের বুঝতে বড় কষ্ট হয়,কি মহা ভারত অশুদ্ধ হয়ে যেত,মহাজোটেরই পক্ষশক্তি এই ১১ দলের পদ যাত্রায় পুলিশের বাধা না দিলে?পুলিশের লাঠি এই স্বপক্ষ শক্তির পিঠে না পড়লে? আনূ মুহাম্মদের মতো একজন নিরীহ অধ্যাপককে রাজপথে ফেলে এভাবে না পিটালে?তারা কি কোন সরকারি সহায়-সম্পত্তি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিতো না কি সরকারের গদি উল্টিয়ে দিতো?শেষবিচারে, এভাবে সবাইকে বিপক্ষে ঠেলে দেয়ার এই অপরিণামদর্শিতার চড়া মাশুল কিন্ত গুনতেই হবে।