ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

দুই সামরিক শাসকের সংশোধনী বাতিল করে মাননীয় উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে,সংবিধান সংশোধনী নিয়ে তেমন কোন প্রশ্ন উঠতো না,দেশের সিংহ ভাগ মানূষের সমর্থন ইহাতে থাকতো।কিন্ত তালগোল পাকিয়ে ফেলা হয়েছে,এমন একটি জনসমর্থন যোগ্য প্রক্রিয়ার সাথে,তত্ত্ববধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিলের প্রশ্নবিদ্ধ প্রসঙ্গটি জুড়ে দিয়ে।যার দরুন এখন পুরা ব্যাপারটিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেলো।সরকারের উচিত ছিলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রসঙ্গটি নিয়ে,আলাদা ভাবে আরো সময় নিয়ে অগ্রসর হওয়া।

এ প্রসঙ্গে সরকারের পরামর্শদাতাদের যথাযথ দূরদর্শিতার অভাব বা তত্ত্ববধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিলে, সরকার ও দলীয় নীতি নির্ধারণে ‘একক ক্ষমতাধর-সর্বেসর্বা’ প্রধান মন্ত্রীর অতিউৎসাহের কারনে,এ ব্যাপারে সঠিক ভূমিকা রাখতে তাদের(পরামর্শদাতাদের)যথাযথ সাহসের অভাবেই এমনটি হয়েছে।তাই মনে হয় সামগ্রিক ব্যাপারটি “এক কলস দূধের মধ্যে এক ফোটা আবর্জনা মিশানোর মতো হয়ে গেল,এখন যার মাশুল গুনতে হবে হতভাগা এ দেশের মানূষকে।