ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

“কেউ আদর্শচ্যুত হলে, বিপথে গিয়ে সংগঠনের দুর্নাম করলে ছাড় দেওয়া হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে আগেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে। একজনও যেন কোনো ধরনের অপকর্ম, দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে সংগঠনের দুর্নাম করতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। অর্থ-সম্পদ, বাড়ি-গাড়ি এগুলো মৃত্যুর পর কেউ কবরে নিয়ে যেতে পারে না। নেতৃত্বে গেলে ত্যাগের মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। আমরা দেশকে কিছু দিতে এসেছি, শোষণ করতে আসিনি। ছাত্রলীগ চলবে নিজস্ব স্বকীয়তায়। গোটা কয়েক টেন্ডারবাজ-চাঁদাবাজের হাতে গোটা ছাত্রলীগ জিম্মি হতে পারে না”- ছাত্রলীগের সন্মেলনে,ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামীলীগ নেতাদের বলা, এই কথাগুলির কোন প্রতিফলন বাস্তবে নাই। যা তাদের কথাতেই প্রতীয়মান।ক্ষমতার অর্ধেক পার করে দেয়ার পরও এখনো তারা “হবে,হবেনা,হতে পারেনা,করতে পারেনা”ইত্যাদিতেই আছেন।অর্থাৎ ক্ষমতার অর্ধেক পার হয়ে গেলেও তারা,এখনো ছাত্রলীগ-যুবলীগের,(তাদের ভাষায় গোটা কয়েকের),তাদের কথিত এই “হবে,হবেনা,হতে পারেনা,করতে পারেনা,করতে দেয়া যায়না-যাবেনা”ইত্যাদির ব্যাপারে কিছুই করতে পারেন নাই।আর কবে পারবেন?পারবেন যে না এবং এগুলি যে কেবলই বাতচিৎ এবং কথার কথা,এর নমুনা তো “ফাও খাবার না পেয়ে রেস্তোরাঁ ভাঙচুর”শীর্ষক ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের কর্মকান্ডের পাশের খবরটি।

প্রসঙ্গক্রমে একটি প্রশ্ন-ছাত্রলীগের সন্মেলন উপলক্ষে,সারা ঢাকা শহর ছেয়ে গেছে,ছাত্রলীগ নেতা নামধারীদের,রং-বেরঙ্গের বাহারি পোষ্টার-ব্যানারে।তারাতো ছাত্র। তাদের কোন আয় রোজগার তো থাকার কথা নয়।তাদের এই টাকার উৎস কি?আর এগুলির দরকারই বা কি?মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর এবং আওয়ামীলীগ নেতাদের মনে কি একবার এই প্রশ্নটির উদয় হয়েছে?