ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

‘ইসি’ একটি সাংবিধানিক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান।একে যেনতেনভাবে তুচ্ছ জ্ঞান করা এবং ইহার রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে তা অমান্য করা চরম অশালীনতা ও অশোভনীয়তারই শামিল।অথচ এই ইসির প্রতি আমাদের বড় এবং প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের আচার-আচরন বরাবরই প্রশ্নবিদ্ধ ও দুঃখজনক। নির্বাচনে হারলেই,ইসি খারাপ,ইসি পক্ষপাতদুষ্ট,অতঃপর ইসির প্রতি অবজ্ঞা,উপেক্ষা।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়োগ পাওয়া বর্তমান ইসি,ছবিসহ ভোটার লিষ্ট করার জন্য দিন তারিখ ঘোষনা করলে,সে মোতাবেক সারা দেশের মানূষ ভোটার লিষ্টে তালিকাবদ্ধ হলো।কিন্ত ব্যতিক্রম খালেদা জিয়া।তিনি ইসির এই ঘোষনাকে পাত্তাই দিলেন না।একবার নয় বারবার।খালেদা জিয়ার এই অবজ্ঞা-উপেক্ষা ও অমান্যতার কাছে মাথানত করে,তার একজনের জন্য বার বার দিন-তারিখ পরিবর্তন করে,পরিশেষে তার(খালেদা জিয়ার)মর্জি মাফিক তাকে ভোটার তালিকাভুক্ত করতে হলো ইসিকে।

অথচ খালেদা-হাসিনার ও এক ভোট,আর একজন সাধারন মানুষের ও তো এক ভোট।এখন সাধারন একজন যদি খালেদা জিয়ার মতো এমন করতেন,তাহলে ইসি কি তাকে ভোটার করার জন্য,এমন ভাবে বার বার দিন্ তারিখ পরিবর্তন করতেন?আমাদের দুর্ভাগ্য এবং বলা যায় খালেদা-হাসিনাদের সৌভাগ্য,ভারতের টি এন সেসনের মতো দৃঢ়চেতা ইসি আমরা পাই নাই।তাহলে খালেদা জিয়াকে অন্য আর সবার মতোই প্রথম ঘোষণাতেই ভোটার হতে হতো। অন্যথায় ভোটার না হয়ে নির্বাচনের বাইরে বসে থাকতে হতো। আর ইসি খারাপ,ইসি পক্ষপাতদুষ্ট,ইত্যাদি অজুহাতে,ইসিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও অবজ্ঞা-উপেক্ষা করার যথাযথ মাশুল ও খালেদা জিয়াদের গুনতে হতো।