ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

“সংবিধানে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস’ কথাগুলো থাকলে ভালো হতো,আমি মর্মাহত হয়েছি ইসলাম ও বিসমিল্লাহ রেখে পরম করুণাময় আল্লাহর প্রতি গভীর আস্থা ও বিশ্বাস তুলে দেওয়ায়”।–এসব কি বলছেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী!!এগুলিতো ধর্মব্যবসায়ী ফজলুল হক আমিনীদের এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপি’র ভাষা। কথায় আছেনা,প্রগতশীল আর কমিউনিস্টরা পঁচলে ‘চরম প্রতিক্রিয়াশীল এবং ধর্ম ব্যবসায়ী মোল্লা’ হয়। যেমন আমাদের দেশেও হয়েছেন অনেকেই(নাম বলার দরকার নাই)।আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম শীর্ষ বীর সেনানী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীও কি তাই হতে চলেছেন?

মুক্তিযুদ্ধের স্ব পক্ষশক্তি এবং দেশের প্রগতিশীল কাতারের সিংহ ভাগ মানূষের চাওয়া যেখানে,আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-৭২ এর ধর্মনিরপেক্ষতা,সেখানে ধর্ম নিয়ে কাদের সিদ্দিকীর মুখে এ কেমন কথা!!
মনে পড়ে ২০০৫ এর শেষের দিকে এই কাদের সিদ্দিকী,তখনকার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে তার এক সংলাপে,স্বাধীনতার পরাজিত ও অপশক্তি এবং সব মৌলবাদী জঙ্গী সংগঠনের ফাদার জামায়াতকে,সরকার ও জোট থেকে বহিস্কার করার জন্য,খালেদা জিয়াকে ৫/৭ দিন সময় বেধে দিয়েছিলেন। প্রশ্ন জাগে,সেই কাদের সিদ্দিকী,সেই জামায়াতের সহযোগী এবং পৃষ্ঠপোষক(এক মা’র পেটের ভাই তুল্য)খালেদা জিয়ার দিকে ধাবিত হচ্ছেন বা হবেন কি করে?

সর্বজনাব কাদের সিদ্দিকী,আসম রব,কর্নেল ওলি প্রমূখরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তিতুল্য বীর সেনানী।আমাদের হীন রাজনীতির নানান হীন সমীকরণ ও কূটচালে তাদের অবস্থান যাই হোক না কেন,তারা আমাদের মহান স্বাধীনতার আকাশে চির ভাস্বর তারকা বিশেষ। জাতি তাদের কাছ থেকে এমনকিছু আশা করেনা,যা শুধু এদেশের স্বাধীনতা প্রেমী মানুষের কষ্টের কারনই হবেনা-তাদের কিংবদন্তিতুল্য অবস্থানকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে।