ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

যোগাযোগ মন্ত্রী সহ কয়েক মন্ত্রীর পদত্যাগের ব্যাপারটি এখন এক হুজুগে পরিনত হয়েছে।সুশীল সমাজের অনেকেও এই হুজুগে শামিল।কিন্ত যে ব্যাপারটি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে তা হলো,কারো মন্ত্রী হওয়া-না হওয়া নির্ভর করে সম্পুর্ন একজনের পছন্দ-অপছন্দের উপর।সেই একজন না চাইলে যেমন কেউ মন্ত্রী হতেও পারেননা,ঠিক তেমনি মন্ত্রীত্ব ছাড়তেও পারেননা।সুতরাং কেবল আবুল হোসেন-সাহারা খাতুন-শাহজাহান খানদের উপর চাপাচাপি করে কি লাভ ! বেচারা আবুল হোসেনদের কি দোষ ! দোষতো তার,যিনি তার একক ইচ্ছায়,দলের দক্ষ,অভিজ্ঞ,জনন্দিত ও বরেন্য নেতাদের বাদ দিয়ে, ২য়- ৩য় কাতারের,অনভিজ্ঞ ও নবাগতদের (শ্রদ্ধেয় সাংবাদিক পীর হাবিবের ভাষায় সেকেন্ড ডিভিশানের প্লেয়ারদের) টেনে এনে সামনে বসিয়ে দিয়েছেন।এতে করে তিনিঃ-১)দক্ষ অভিজ্ঞ ও সিনিয়র দলীয় নেতাদের অপমানিত-অবমানিত করেছেন।২) দক্ষ,যোগ্য ও অভিজ্ঞদের সেবা থেকে দেশের মানূষ কে বঞ্চিত করে দেশ ও জাতির ক্ষতি করেছেন।কেননা এখন এই অযোগ্য-অনভিজ্ঞ-নবাগতদের বাদ দিলেও,যে আড়াইটি বৎসর পার হয়ে গেলো এর জবাব কে দেবে ?? দেশটাতো আর মন্ত্রীত্ব শিক্ষার কোন ট্রেনিং সেন্টার নয় যে,তিনি যাকে তাকে মন্ত্রী বানিয়ে, মন্ত্রীত্ব শিখাবেন-মন্ত্রীত্বের ট্রেনিং দেওয়াবেন আর সরকারের সময় পার করে দিবেন !!একক পছন্দ-অপছন্দে সরকারে এমন ‘চমক’এর ফলে সরকারি দলটির ভাবমূর্তির কতটা বাজলো-তা দেশের সাধারন মানূষের উদ্দ্যেগের বিষয় নয়,উদ্দ্যেগের বিষয় হলো,অপরিনামদর্শি এই ‘চমক’ এর কারনে দেশ ও জাতির জীবন থেকে কতগুলি বছর হারিয়ে গেলো !!