ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য কেবলই তার স্বজন ও হিতাকাংখীদের দুঃখ বাড়ায় এবং এক এক করে সবাইকে প্রতিপক্ষের কাতারে ঠেলে দেয়।কয়েকজন মন্ত্রীর দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়ে সকল শ্রেনীর এতো মানুষের ,এতো উদ্যেগ- উৎকণ্ঠা সবকিছুকে পাশে ঠেলে দিয়ে, শেষ পর্যন্ত তিনি(প্রধানমন্ত্রী) বিতর্কিত মন্ত্রীদের পক্ষেই দাঁড়ালেন।এক মন্ত্রীর ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত ভূমিকার কারনে দলমত নির্বিশেষে যারা সমালোচনা করছেন,তাদেরকেই বরং তিনি পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স নেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করলেন।জানিনা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর এই অভিযুক্তদের কারনে,এক্সিডেন্টের কত রেকর্ড তার(প্রধানমন্ত্রীর) অবগতিতে আছে।যানজট প্রসঙ্গে প্রধান মন্ত্রী বললেন-গাড়ির সংখ্যাধিক্যের কথা,একই গাড়ী বা ভিন্ন ভিন্ন গাড়ী একই ব্যাক্তির,অফিস-স্কুল-বাজার-বেড়ানো ইত্যাদি কাজে বারবার রাস্তায় চলাচলের কথা।তাই যদি হয় মাননীয় প্রধান মন্ত্রী,তাহলে সরকারি বিভিন্ন অফিস-দপ্তর-অধিদপ্তরের গাড়ীগুলো বন্ধ করে দিয়ে, মন্ত্রী-আমলা এবং ছোট-বড় কর্মকর্তা নির্বিশেষে,সবার জন্য বাসের ব্যবস্থা করে দিন না।আর ‘অফিস-স্কুল-বাজার-বেড়ানো’ইত্যাদি কাজে একই বা ভিন্ন ভিন্ন কাজে একের অধিক গাড়ী রাস্তায় ব্যবহার করে কারা?সরকারের মন্ত্রী-আমলা এবং কর্মকর্তারা এবং সরকারি জ্বালানি খরচায়।সরকারি গাড়ির এই অতি ব্যবহার বন্ধ করার দায়িত্বটা কার মাননীয় প্রধান মন্ত্রী?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২/১ টা বাদে সব ক্ষেত্রেই সরকারের সফলতার কথা বলে আপনি সবাইকে ধৈর্য ধরতে বলেছেন,সময় দিতে বলেছেন,কিন্ত বাস্তবতা হলো- বিদ্যুৎ,গ্যাস,পানি, আইনশৃংখলা, বাজারদর,পূঁজিবাজার,রাস্তাঘাট- যোগাযোগ ইত্যাদি কোন ক্ষেত্রেই তো দেশের মানূষ স্বস্তিতে নেই।তাহলে আপনার কথিত এই “সব ক্ষেত্রেই সফলতা”টা মানুষ খোঁজে পাবে কোথায়? কেবল বললে তো হবেনা সফলতাটা দৃশ্যমান তো হতে হবে।

আর অপেক্ষা আর কতকাল করতে হবে,ধৈর্য আর কত ধরতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।সময়তো বেশির ভাগটাই পার করে দিলেন।সামনে আছে আর দুই বৎসরের মতো।এর মধ্যে শেষের বৎসর তো চলে যাবে নির্বাচনী উত্তাপ-খেলায়।তাহলে অপেক্ষা করার সময় আর কোথায়?এখন কথায় কথায় বিগত আমলের উপর দোষ চাপানোর অজুহাত আর গিলানো যাবেনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।