ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

সৈয়দ আবুল হোসেন সাহেবের আর্থিক সততা নিয়ে তেমন কোন প্রশ্ন আছে বলে জানা নাই।আর থাকলেও তিনি অনেকের চেয়ে অনেক অনেক কম অসৎ – একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়। কিন্ত কথা অন্য জায়গায়। প্রথমতঃ কেবল নিজে সৎ থাকলেই চলেনা,অন্যদেরকেও সৎ রাখতে হয়,এবং অসৎদের বিরুদ্ধে দৃঢ় ভূমিকায় দাঁড়াতে হয়। সেরকম যোগ্যতা,দক্ষতা ,ব্যক্তিত্ব,কারিশমা এবং গতিশীলতা থাকতে হয়। সেটা জনাব আবুল হোসেনের নাই।যার কারনে,ট্রুথ কমিশনে আত্মস্বীকৃত শীর্ষ দুর্নীতিবাজরা তার মন্ত্রনালয়ে সসম্মানে পুনর্বহাল হতে পেরেছে। দ্বিতীয়তঃ সততা আর দক্ষতা-যোগ্যতা এক জিনিষ নয়।যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের মতো একটি মন্ত্রনালয় চালানোর জন্য যে দক্ষতা,অভিজ্ঞতা,প্রাজ্ঞতা এবং ব্যাক্তিত্ব ও কারিশমার দরকার,সেটা জনাব আবুল হোসেনের নাই। বেচারা খুবই নরম মনের মানুষ। মনে হয় সৎ ও।দোষ,যে বা যারা তার ওপর এতো ভার চাপিয়ে দিয়েছে,তার বা তাদের।

যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে নিয়ে উইকিলিকসের ফাঁস করা খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।যেখান থেকে যোগাযোগ মন্ত্রীর দূর্নীতির বা অসততার সুনির্দিষ্ট কোন উপাদান মিলেনা।এ নিয়েই মির্জা ফখরুলরা “এই সরকারের দূর্নীতি নাকি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত”বলে হৈ চৈ ফেলে দিয়েছেন।সৈয়দ আবুল হোসেনদের কথিত দূর্নীতির তথ্যের কোন ভিত্তি যদি থেকেও থাকে,তাহলেও তা,বিগত আমলের ‘বাবর(যার একার দূর্নীতির ফেরত দেয়ার পরিমান ৫২ কোটি টাকা),তারেক, কোকো,হারিছ,মামুন গংদের তুলনায় কতটুকু?দিয়েছেন।মির্জা ফখরুল সাহেবদের আয়নায় নিজেদের অতীত চেহারাটা আগে দেখা দরকার।