ক্যাটেগরিঃ ব্লগ

বিজয় স্বরনী হয়ে মেট্রোরেল নির্মানে,এতদসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামতই মুখ্য বিবেচনার বিষয়।বিমানবাহিনী বা অন্য কোন সংস্থার মতামত আমলে নেয়ার উচিৎ নয়।কেননা এই বিজয় স্বরণী এই বিমানবন্দর সবই দেশের জনগনের তথা সরকারের।বিমান বাহিনী সরকারি অন্য সংস্থার মত একটি সংস্থা মাত্র।মনে রাখা দরকার ১৬ কোটি মানূষের অতি ছোট্ট এই দেশটির,বিশেষ করে দেড় কো্টিরও বেশি মানূষের এই রাজধানী শহরের,সকল জমি-রাস্তা-সম্পত্তির,যথাসম্…ভব সর্বোচ্চ ব্যাবহার নিশ্চিত করার পরিবর্তে, নিতান্তই প্রয়োজন অতিরিক্ত কোন জমি বা রাস্তা,কেবলমাত্র কোন বিশেষ সংস্থা বা বাহিনীর জন্য রিজার্ভ করে রাখা একেবারেই অনুচিৎ,বেমানান এবং এক ধরনের অন্যায়ও।

মিরপুর থেকে কচুক্ষেত হয়ে এবং মিরপুর সেনানিবাস থেকে কালশি হয়ে, বিমানবন্দর সড়কের সাথে সংযোগ সড়ক দুটিও,সর্বসাধারনের জন্য সার্বক্ষনিক খোলে দেয়ার ব্যাবস্থা করা দরকার।সেনানিবাসের নিরাপত্তা প্রস্নে,সেনানিবাস এলাকায় রাস্তার দুদ্বারে দুর্বেধ্য সীমানা প্রাচীর নির্মান করে,২/৪ টি গেইটে সার্বক্ষনিক সেনা পাহারার ব্যাবস্থা করা হোক।রাস্তা দুটি সেনানিবাসের যানবাহন,বাস ইত্যাদির পাশাপাশি,সর্বসাধারনের যানবাহন-বাস ইত্যাদি চলাচলের জন্য যথোপযোগী ও যথাপ্রসস্থ। এতে করে বৃহত্তর মিরপুর এলাকা থেকে গুলশান-বনানী-বারিধারা-বসুন্ধরা-বিমানবন্দর-উত্তরা এলাকায় যাওয়া-আসা সহজ হয়ে যাবে।যানজট ও অনেকাংশে কমে যাবে।অধিকন্ত নির্মানাধীন মিরপুর-বিমানবন্দর সড়ক উড়াল সড়কের প্রয়োজনীয়তাও খুব একটা আর থাকবেনা।

উল্লেখ্য মিরপুর-১৪ থেকে কাকলি পর্যন্ত, সেনানিবাসের হোমড়া-চোমড়াদের ব্যবসায়িক পাবলিক বাস গুলি,সেনানিবাসের ভিতর দিয়ে ঠিক ঠিকই চলে।সীমিত সম্পদ এবং আরো সীমিত রাস্তা ও রাস্তা বানানোর জায়গার এই রাজধানীতে,সেনানিবাসের এই বড়বড় রাস্তাগুলি দেশের মানূষের ঘামে ভেজা পয়সায় নির্মিত-জনগনের সম্পত্তি।নিতান্তই স্পর্শকাতরতা ছাড়া,এই রাস্তাগুলি কেবলমাত্র সেনাবাহিনীর জন্য এবং সেনানিবাসের কারো কারো স্বার্থের জন্য রিজার্ভ করে রাখার সে সঙ্গতি আমাদের কোথায়??