ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

গত ০৮/১০/১১ তারিখের প্রথম আলোর খোলা কলমে,সুলেখক সৈয়দ বদরুল আহসান “জাতীয় সংসদ,বিমানবাহিনী এবং মেট্রোরেল” শীর্ষক তার এক লেখায়,প্রসঙ্গক্রমে এক জাগায় বলেছেন-“সংসদ এলাকার একটি বিশেষ স্থাপত্য রয়েছে,যা নান্দনিক পরিবেশকে তুলে ধরে।বিশ্বখ্যাত স্থপতি লুই কানের বিশ্বনন্দিত কীর্তি এই সংসদ ভবনের সৌন্দর্য বিগত কয়েক বৎসরে অনেকাংশে বিঘ্নিত হয়ছে।যাঁরা সেই ১৯৮১ সালে অতি উৎসাহী হয়ে জেনারেল জিয়াউর রহমানের চন্দ্রীমা উদ্যানে সমাহিত করেন,তাঁরা একটুও ভাবেননি,কী নিদারুন কাজটি তারা করেছেন।আজ আপনার ওই লেকের ধারে যেতে মন চায়না।গোটা চন্দ্রীমা উদ্যান্টি মনে হয় একটি গোরস্থানে রুপান্তর করা হয়েছে।আবার কয়েক বছর আগে সংসদ এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের জন্য বাসভবন তৈরী করতে গিয়ে এলাকার আরো কিছু ক্ষতি করা হয়েছে”।

যে কথাটি কেউ কোনদিন বলেনাই-এমন একটি তাৎপর্য্যবাহী ব্যাপার তুলে আনার জন্য, জনাব সৈয়দ বদরুল আহসান ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার।তবে তিনি মনে হয় মিস করে গেছেন যে,এই সংসদ ভবন এলাকায় আরো দুজনকে সমাহিত করা হয়েছে।আরো দুজনের কবর রয়েছে। একজন হলেন আমাদের স্বাধীনতা বিরোধী অন্যতম এক কুখ্যাত সবুর খান, আর একজন হলেন ৭১ সালে পাক হানাদারদের পক্ষাবলম্বনকারী, সামরিক শাসক জেনারেল জিয়ার সরকারের সিনিয়র মন্ত্রী এবং একদার প্রখ্যাত বাম রাজনীতিক মশিউর রহমান।জেনারেল জিয়া এই দুই স্বাধীনতা বিরোধীকে সংসদভবন এলাকায় সমাহিত করে,বি্রল সন্মানে সন্মানিত করেন।

আর ‘কয়েক বছর আগে সংসদ এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের জন্য বাসভবন তৈরী করতে গিয়ে এলাকার যে ক্ষতিটা করা হয়েছে’-তাও করেছে জেনারেল জিয়ার উত্তরসূরী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার।