ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

আজকের(১৯/১০/১১)প্রথম আলোর একটি অন্যতম শীর্ষ খবর। নারায়নগঞ্জ সিটি নির্বাচনে শতাধিক প্রার্থী, চিনহিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং শতাধিক মামলার আসামী। এ অবস্থা কেবল নারায়নগঞ্জ সিটি নির্বাচনের নয়, বাংলাদেশের সকল নির্বাচনের চিত্রই কম বেশি এমনই। বিগত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও, প্রার্থী এবং নির্বাচিতদের চিত্র এমনই ছিলো। যা গনমাধ্যমে প্রচারিতও হয়েছিলো। কিন্ত অবস্থার কোন উন্নতি কি হয়েছে? হয়নাই। হবেওনা। এর জন্য দায়ী আমরা যারা ভোট দেই তারা। মুখে যত কিছুই বলিনা কেন, ভোটের বেলায় আমরা এই সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ-মামলার আসামী এবং পেশিশক্তিওয়ালাদের বাক্সেই ভোট দেই। এদেরকেই নির্বাচিত করি, এদেরকেই নেতা মানি,এ দের ডাকেই মিছিল-মিটিং এর কলেবর বৃদ্ধি করি। ব্যাতিক্রম বাদে যে যত বড় সন্ত্রাসী,যে যত প্রভাবশালী চাঁদাবাজ, যে যত বেশি মামলার আসামী, যে যত বড় পেশিশক্তিওয়ালা, সে তত বড় নেতা।

অন্য দিকে উল্লেখিত গুনাবলী(?)বিহীন সৎ শিক্ষিত এবং নিবেদিতপ্রানদের অনেককেই, মামুলি সন্মান হতোবা দেখাই, কিন্ত নির্বাচনের বেলায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করে দিই। এই যেখানে আমরা ভোটারদের অবস্থা, সেখানে নির্বাচনে উল্লেখিত বিতর্কিতদের আর বিকল্প কোথায়? রাজনৈতিক দল গুলিকেই বা দোষ দেয়া কি করে! যে ট্যাবলেট দেশের মানূষ গিলে, তারাও সে ট্যাবলেটই বাজারজাত করে। এ দেশের হাওয়ায় রাজনীতি করতে হলে,রাজনীতির মাঠে থাকতে হলে এদের ছাড়া উপায় কি? হ্যাঁ উপায় আছে। আগে আমাদেরকে বদলাতে হবে। আমাদের পছন্দকে বদলাতে হবে। দোষটা আমাদের। রাজনীতিকদের নয়। আমরা বদলালে রাজনীতিকরাও বদলাবে, বদলাতে বাধ্য হবে।