ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

তত্তাবধায়ক পদ্ধতি বাতিলের পক্ষে যুক্তি দেখাতে গিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সহ আওয়ামীলীগ নেতারা ১/১১ পরবর্তী সেই তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কর্মকান্ডের কথা দৃষ্টান্ত হিসাবে দাঁড় করান। খালেদা জিয়ার জেলে যাওয়ার কথা বলেন, তার (খালেদা জিয়ার) দুই ছেলের গ্রেফতার ও হয়রানির কথা বলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানূষের কাছে আতংক, বাঘের কাছে ছাগল পাহারা দেওয়া যায়না, রাজনীতিবিদদের হয়রানি করা ইত্যাদি কত কিছু বলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল প্রশ্নে এগুলি খোঁড়া যুক্তি। কেননা তাদের এসব কথা মেনে নিলেও বলা যায় যে আগের তিন তিনটি তত্তাবধায়ক সরকারের আমলেতো এমনসব ঘটনা ঘটেনি। ঘটেছে ১/১১ পরবর্তী একটি ব্যাতিক্রম এবং তথাকথিত তত্তাবধায়ক সরকারের আমলে। সুতরাং ব্যাতিক্রম তো ব্যতিক্রমই। ব্যাতিক্রম কোনদিন কোন দৃষ্টান্ত হতে পারেনা। দেশের মানুষকে এতো বোকা ভাবার কোন কারন নেই। এ প্রসঙ্গে এসব খোঁড়া যুক্তি দেশের মানূষের কাছে কোনদিনই গ্রহণীয় হবেনা। এতে করে শেষ বিচারে শেখ হাসিনা এবং তার দলের লাভের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি।