ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

গত ২৩/১০/১১ তারিখে সংসদীয় কমিটির এক সভায়,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার এক মন্তব্যে বললেন-“আমাদের এক নোবেল বিজয়ীর লবিং এর কারনে পদ্মা সেতুতে অর্থায়নে ঝামেলা করছে বিশ্বব্যাংক”। ঠিক পরের দিনই প্রধানমন্ত্রীর সরকারের অর্থমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রস্নে বললেন-“পদ্মা সেতুতে বা কোন বৈদেশিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে নোবেল বিজয়ী ডঃ ইউনূস কোনো বাধা সৃষ্টি করছেন বলে তিনি মনে করেননা।এ ব্যাপারে(পদ্মা সেতুর অর্থায়ন)ডঃ ইউনূস প্রোপাগান্ডা করছেন বা বিরোধিতা করছেন,তিনি সে রকম কিছু দেখেননি”।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,দেশ ও জাতির গর্ব নোবেল বিজয়ী ডঃ ইউনূসকে নিয়ে এমন একটি মন্তব্য করলেন,যার সাথে তার সরকারের স্বয়ং অর্থমন্ত্রীই একমত নন।

এর আগেও আমাদের এই নোবেল বিজয়ী মানূষটিকে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেক অবমাননাকর মন্তব্যে করেছেন।যাতে বিব্রত হয়ে শতভাগ আওয়ামী ঘরানার অনেকেও,নানান ধরনের বিরুপ প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের হতাশা ব্যক্ত করেছেন এবং বক্তব্যে-মন্তব্য কথা্য-বার্তায়, দলমত নির্বিশেষে দেশ ও জাতির সকল বরেন্যদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধাশীল হওয়ার জন্য,প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিনীত অনুরোধ রেখেছেন।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বুঝা উচিৎ,ব্যক্তিগতভাবে ডঃ ইউনূস তার অপছন্দের হতেই পারেন,কিন্ত একজন নোবেল বিজয়ী হিসাবে তিনি শুধু দেশেই নন,সারা দুনিয়াতেই একজন সন্মানীয় ব্যাক্তি।সুতরাং দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামীলীগের মতো একটি দলের প্রধান হিসাবে তার(প্রধানমন্ত্রীর) উচিৎ জাতির একমাত্র নোবেল বিজয়ীর প্রতি যথাযথ সন্মান ও শ্রদ্ধা পোষন করা। তিনি যদি তা না করেন তাহলে দেশের মানূষ,দেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম,জাতির মহান ও বরেন্যদের প্রতি যথাযথ সন্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করার শিক্ষা পাবে কার কাছ থেকে?