ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

বিজয় স্বরণী হয়ে মেট্রোরেলমেট্রোরেল-এ ছিলো মেট্রোরেল প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামত।যা আটকে যায় বিমানবাহিনীর আপত্তির কারনে।বিমানবাহীনীর কথিত আপত্তিকে অমূলক ও অগ্রহনযোগ্য আখ্যায়িত করে এতদ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটিতো বটেই, এমনকি সুশীল সমাজের আরো অনেকেই,বিকল্প সংসদ ভবনের পাশ বরাবরের চেয়ে,বিজয় স্বরনি দিয়েই মেট্রোরেল নির্মানের পক্ষে তাদের জোরালো যুক্তি, গনমাধ্যম সহ বিভিন্ন ফোরামে তুলে ধরেছেন এবং ধরছেন।কিন্ত মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেষ পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে, বিজয় স্বরনির বদলে, সংসদ এলাকা দিয়ে নির্মানের পক্ষেই দাঁড়ালেন।শুধু তাই নয় বিজয় স্বরনির পক্ষে অবস্থানকারিদের-“খেজুর গাছ বাঁচাতে বিমান বন্দর ধ্বংস করতে চান”-ধরনের মন্তব্যে বিরুপ সমালোচনাও করেন।সাথে সাথে মননীয় প্রধানমন্ত্রী বিজয় স্বরনির বদলে সংসদ এলাকা দিয়ে মেট্রোরেল করার যুক্তি এবং সুবিধা-অসুবিধাগুলিও,বিশেষজ্ঞ মতামতের মতো তুলে ধরেন। প্রশ্ন হলো এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী যে বিশেষজ্ঞ মতামত ব্যক্ত করেছেন,তা কি তার নিজেরই মতামত?না কি অন্য কোন বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামত তিনি প্রকাশ করেছেন মাত্র?যদি তা তার নিজের মতামত বা বিশ্লেষন হয়ে থাকে,তাহলে তো বলা যায় এ প্রসঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীই অনেক বড় মাপের বিশেষজ্ঞ।তাহলে এ ব্যাপারে আলাদা বিশেষজ্ঞ কমিটি করে(তাদের রিপোর্ট যখন মানাই হবেনা) খামাখাই বিতর্ক সৃষ্টি না করলেই তো হতো।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবশ্য বলেছেন,’বুয়েট,যোগাযোগ মন্ত্রনালয় এবং পরিবেশবিদ সহ সংশ্লিষ্ট সবার আলোচনার মাধ্যমেই,বিজয় স্বরনির বদলে সংসদ এলাকার পাশ দিয়ে মেট্রোরেল নির্মানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাহলেও কারা ছিলেন পরিবর্তিত এই সিদ্ধান্তের কমিটিতে এবং নামধাম ও প্রাসঙ্গিক যুক্তি্সহ সেই কমিটির বিশেষজ্ঞ মতামত প্রকাশ করে দিলেইতো,এ প্রসঙ্গে সকল বিতর্কের অবসান হয়ে যায়।