ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব তার এক বক্তব্যে (প্রথম আলো-১৯/১১/১১) বলেছেন-“ভারত টিপাই মূখে বাধ নির্মান করছে-কথা রাখেনি, মমতা বন্দোপাধ্যায় বলে দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থহানি করে বাংলাদেশকে তিস্তার পানি দেয়া হবেনা, ইত্যাদি।মির্জা সাহেবের সব কথাই ঠিক,কিন্ত প্রশ্ন হলো, তাহলে এখন করাটা কী? ভারত যদি তার কথা না রাখে বা কিছুই নাই দেয় বা দিতে না চায়,তাহলে এই সরকার করবেটা কী? এখনি ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে দিবে? মির্জা সাহেবরা এমতাবস্থায় ক্ষমতায় থাকলে কী করতে পারতেন? মনে রাখা দরকার ভারত ভারতই। ভারতের সাথে দ্বন্দে গিয়ে কোনদিনই কোন লাভ হবার নয়।সে অভিজ্ঞতা মির্জা সাহেবদের থাকার কথা।

কাশ্মির প্রশ্নে দ্বন্দে গিয়ে পাকিস্তানের মতো দেশ আজ পর্যন্তও কিছুই করতে পারে নাই।এ প্রসঙ্গে বিশ্ব দরবারে দেখা গেছে অনেক মুসলীম দেশই ভারতের পক্ষে দাঁড়ায় বা চুপচাপ থাকে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই হলো ভারতের অবস্থান। এহেন ভারতের সাথে যা কিছু করার করতে হবে, চরম ধৈর্যতার সহিত কূটনৈতিনীতির প্রয়োগে। অন্যথায় হিতে বিপরীত ফল পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তখন আর করার কিছুই থাকবেনা। কঠিন এই বাস্তবতাকে আমলে নিয়েই যা কিছু করার সরকার মনে হয় তা করছে এবং করবে। এ নিয়ে গোলা পানিতে মাছ শিকার মির্জা সাহেবরা করবেন, সে তো জানা কথা। এদেশের মানূষের সরলতার সুযোগে “মসজিদে উলুধ্বনি,ভারতের কাছে দেশ বিক্রি,ফেনি পর্যন্ত ভারতীয় পতাকা উড়া” ইত্যাদি ধরনের ভারত বিদ্বেষী অপপ্রচারে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ফায়দা লুটা তাদে্র বহুল ব্যাবরিত এক হাতিয়ার।এতে করে লাভের ভাগ মির্জা সাহেবদের ঘরে উঠেছে সত্য, কিন্ত শেষ বিচারে ক্ষতি হয়েছে দেশের,দেশের মানুষের।