ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

মহা আড়ম্বরে এবারে পালিত হলো খালেদা তনয় তারেক জিয়ার ৪৭তম জন্মদিন।যাকে বলা যায় খালেদা জিয়ার ‘তরুনদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়ার’ ঘোষনার, এক মহরা বিশেষ এবং বিএনপি নেতাদের তারেক বন্দনার এক প্রতিযোগিতা।কেউ তাকে বলেছেন”আমামী দিনের নেতা,কেউ বলেছেন বাঙালি জাতির ভবিষ্যত কান্ডারি,কেউ বলেছেন ভাবি প্রধান্মন্ত্রী ইত্যাদি ইত্যাদি।বিএনপি’র রাজনীতি করতে হলে তা তাদের বলতেই হবে।বলেছেনও।সব চেয়ে ইন্টারেষ্টিং বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্জ্ এমাজউদ্দিন আহমেদ।তিনি বলেছেন,তারেক জিয়া নাকি তাকে (সাবেক এই উপাচার্যকে), ‘দেশকে নতুনভাবে ভালবাসতে শিখিয়েছেন’(!!)।আর তারেক জিয়া নাকি আরাম কেদারায় বসে নেতা সাজতে চাননি(??)। একজন সাবেক উপাচার্য জীবনের এই শেষ পর্যায়ে যার আর কিছু পাওয়ার আশা খুবই ক্ষীন, তার এমনতর চাটুকারিতা তথা তারেক বন্দনার প্রতিযোগিতার মিছিলে ঝাঁপাইয়া পড়ার ব্যাপারে,কোন মন্তব্য করার মতো কোন রুচি খোঁজে পাচ্ছিনা।একদা আমাদের এমন অনেক স্বনামধন্যদের, এমনতর হীন চাটুকারিতার প্রতিযোগিতার মিছিলে ঝাঁপাইইয়া পড়তে দেখা গিয়েছিলো ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে,একদার খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা জনাব ফালু কে নিয়ে।

সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমেদ এর মতো স্বনামধন্যরা, যারা জাতির বিবেকের আসনে আসীন,তারা যদি নিজের সন্মান-ব্যাক্তিত্বকে এভাবে জলাঞ্জলি দিয়ে, ফালু-তারেক পর্যায়ের মতোদের, চাটুকারিতা-বন্দনার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে,নিজেদেরকে এমনতরভাবে নীচে নামিয়ে আনেন, তারেকের মতোদের কাছ থেকে দেশকে ভালবাসতে শিখেন, তাহলে এ জাতির বিনাশ ঠেকাবে কে!!তারেক কি, কি তার যোগ্যতা, তিনি(তারেক) একজন সাবেক উপাচার্যকে কি শিখাতে পারেন,কি শিখানোর যোগ্যতা রাখেন, তারেক জিয়া কিভাবে এবং কেমন কেদারায় বসে নেতা সেজেছেন তা দেশের মানূষ খুব ভাল করেই জানে।আর জানে বলেই তারেক জিয়াকে নিয়ে এমনতর চাটুকারী মন্তব্যের কারনে সাবেক এই উপাচার্যকে কেবলমাত্র করুনার চোখেই দেখার মতো ব্যাপার।