ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

১) মন্ত্রীসভায় রদবদলেই প্রমানিত হয়েছে যে,শেখ হাসিনার মন্ত্রীরা দূর্নীতিবাজ ! জনাব, মন্ত্রীসভায় রদবদলতো সব আমলেই হয়েছে এবং হবেও। বিএনপি’র বিগত আমল,আগের আমলেও হয়েছে। এর মানে কি মন্ত্রীদের দূর্নীতিবাজ প্রমানিত হওয়া?

২) যুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগের নেতারা কলকাতায় ঘুরে বেড়িয়েছেন, আর যুদ্ধ করেছেন বিএনপির নেতারা। মির্জা সাহেব,সেই ৭১ এ বিএনপি নামক কোন পদার্থ কি ছিলো? তখন বিএনপি’নেতা যারা যুদ্ধ করেছে,তখন তারা আওয়ামীলীগেরই ছিলো,যৎসামান্য কিছু সরাসরি আওয়ামীলীগের না থাকলেও যুদ্ধটা কিন্ত তারাও করেছে আওয়ামীলীগের হয়েই বা আওয়ামীলীগের নামেই।

৩) তিনি (জিয়াউর রহমান) নিজে রণাঙ্গনে লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছেন। বিএনপিতে যত মুক্তিযোদ্ধা আছেন, আওয়ামী লীগে তত মুক্তিযোদ্ধা নেই। জনাব ফখরুল, সেনাপতি আর সৈন্যরাতো রণাঙ্গনেই লড়াই করে। এ জন্যইতো তাদেরকে অনেক মূল্যে পোষা হয়।আর সে লড়াইয়ের সার্বিক দায় দায়ীত্বে থাকে দেশ ও জাতির পরিচালনাকারী নেতারা। আর আওয়ামীলীগে কত মুক্তিযোদ্ধা আছে তাতো গনার দরকার নাই। কেননা চাউলের বস্তায়,চাউল কতটা আছে,তা নয়-গনার বিষয় পাথরকুচি কয়টা আছে। তবে মুক্তিযোদ্ধা গনার দরকার বিএনপিতে। কারন বিএনপিতে ৭১ এর পরাজিত শক্তি ও তাদের দোসরদের সাথে নানান কারনে নানান সমীকরনে নানান সময়ে কিছু মুক্তিযোদ্ধার সমাবেশ ঘটেছে,একথা সত্য। তা আপনি গনে দেখতে পারেন।

৪) যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমাও করেছেন আপনারা (আওয়ামীলীগ) তাদের রক্ষাও করছেন আপনারা। মির্জা সাহেব এটা একটা নির্ঘাত মিথ্যা ও কুমতলবী কথা।

৫) আওয়ামী লীগের প্রধানই ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। মির্জা সাহেব,আপনার কথিত ১৯৫ জনকে কেন,কি কারনে ক্ষমা করে দেয়া হলো,না দিলে এর পরিনাম কি হতো,তা একটু আমলে নিয়ে কথা বলুন।

৬) প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী সম্পর্কে ‘এই সরকার ক্ষমতায় আসার আগে তাঁর নাম কখনো শুনিনি। জনাব মির্জা ফখরুল, আপনার নামও ত, বিগত আমলে খালেদা-তারেক জিয়ার বদান্যতায় হাফমন্ত্রী হওয়ার আগে পর্যন্ত, এদেশের মানূষ মনে হয় খুব একটা শুনেনি।