ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

একটা কথা আছে ‘কমিউনিষ্ট বা সমাজতন্ত্রিরা পঁচলে মোল্লাতন্ত্রি বা মৌলবাদি হয়’।চট্টগ্রামের আব্দুল্লা আল নোমান। একদার চায়নাপন্থী।পরবর্তিতে সামরিক শাসক জিয়ার উর্দিরাজনীতির ছায়াতলে,অতঃপর বিএনপি’র নেতা। এই নোমান সাহেব গতকাল (০১/০১/১২),এক টিভি টক শোতে বললেন-৭১ এ তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেছেন,কিন্তু একবারের জন্য ও মূখে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান উচ্চারন করেননাই।নোমান সাহেবের কাছে জিজ্ঞাসা-ইহা কি কোন বাহাদুরির কথা হলো? আপনার মতো ঠেলায় পরে-(ঠেলায় পরে বলছি এ কারনে যে,৭০-৭১ এ আওয়ামীবিদ্বেষের যন্ত্রনায়, জনাব নোমান যে রাজনীতির মানূষ ছিলেন,মূলত আওয়ামীবিদ্বেষের যন্ত্রনায়-সে রাজনীতির অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন।অনেকেই পাক হানাদারদের নানানভাবে সহায়তাও করেছিলেন।একটা অংশের কেউ কেউ স্বেচ্ছায় এবং কেউ কেউ অনিচ্ছায় নিতান্ত বাধ্য হয়েই আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে- আওয়ামীলীগের পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন)-মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া,হাতে গুনা ২/৪ জনের মূখে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান উচ্চারন করেছেন কি করেননাই,এটা কোন ব্যাপারই নয়। তখন এই ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান উচ্চারিত হয়েছে মুক্তিকামী সমগ্র বাঙ্গালি-জনতার কন্ঠে কন্ঠে।তখন এই ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান ছিলো মুক্তিযুদ্ধের রনধ্বনি,সকল মুক্তিযোদ্ধা তথা সমগ্র বাঙ্গালি-জনতার অনুপ্রেরনা।জনাব নোমান পিছন ফিরে দেখতে পারেন,আপনার পরিবর্তিত সামরিক প্রভু, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানেরও,মুক্তিযুদ্ধকালে এই ‘জয় বাংলা’ উচ্চারন ছিলো মন্ত্রমুগ্ধের মতো এবং ইহাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।সুতরাং “মুক্তিযুদ্ধে আমি কোন দিন ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান উচ্চারন করিনাই”-এটা কোন বাহাদুরির কথা নয় জনাব নোমান সাহেব।

তবে হ্যাঁ এই ‘জয় বাংলা’ উচ্চারনটা আপনার বর্তমান নেত্রীর কাছে সাংঘাতিক রকমের অপ্রিয় কোন কিছু। একেবারে গায়ে মৌমাছির হুল ফোটার মতো।কেননা ৭১ এ মুক্তিযোদ্ধের নয় মাস তিনি কাটিয়েছেন পাক জেনারেলদের আতিথ্যে,আদর-আপ্যায়নে,মুক্তিযুদ্ধে স্বামীর সাথে যাওয়ার ডাক এবং সকল ব্যাবস্থা বার বার উপেক্ষা করে,ফিরিয়ে দিয়ে। হয়তোবা একারনেই একদার সমাজতন্ত্রী নোমান সাহেবের,মহান মুক্তিযুদ্ধের রনধ্বনি এই ‘জয় বাংলা’ নিয়ে এতো এলার্জি।একটা কথা আছে ‘কমিউনিষ্ট বা সমাজতন্ত্রিরা পঁচলে মোল্লাতন্ত্রি বা মৌলবাদি হয়’।চট্টগ্রামের আব্দুল্লা আল নোমান। একদার চায়নাপন্থী।পরবর্তিতে সামরিক শাসক জিয়ার উর্দিরাজনীতির ছায়াতলে,অতঃপর বিএনপি’র নেতা। এই নোমান সাহেব গতকাল (০১/০১/১২),এক টিভি টক শোতে বললেন-৭১ এ তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেছেন,কিন্তু একবারের জন্য ও মূখে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান উচ্চারন করেননাই।নোমান সাহেবের কাছে জিজ্ঞাসা-ইহা কি কোন বাহাদুরির কথা হলো? আপনার মতো ঠেলায় পরে-(ঠেলায় পরে বলছি এ কারনে যে,৭০-৭১ এ আওয়ামীবিদ্বেষের যন্ত্রনায়, জনাব নোমান যে রাজনীতির মানূষ ছিলেন,মূলত আওয়ামীবিদ্বেষের যন্ত্রনায়-সে রাজনীতির অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন।অনেকেই পাক হানাদারদের নানানভাবে সহায়তাও করেছিলেন।একটা অংশের কেউ কেউ স্বেচ্ছায় এবং কেউ কেউ অনিচ্ছায় নিতান্ত বাধ্য হয়েই আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে- আওয়ামীলীগের পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন)-মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া,হাতে গুনা ২/৪ জনের মূখে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান উচ্চারন করেছেন কি করেননাই,এটা কোন ব্যাপারই নয়। তখন এই ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান উচ্চারিত হয়েছে মুক্তিকামী সমগ্র বাঙ্গালি-জনতার কন্ঠে কন্ঠে।তখন এই ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান ছিলো মুক্তিযুদ্ধের রনধ্বনি,সকল মুক্তিযোদ্ধা তথা সমগ্র বাঙ্গালি-জনতার অনুপ্রেরনা।জনাব নোমান পিছন ফিরে দেখতে পারেন,আপনার পরিবর্তিত সামরিক প্রভু, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানেরও,মুক্তিযুদ্ধকালে এই ‘জয় বাংলা’ উচ্চারন ছিলো মন্ত্রমুগ্ধের মতো।সুতরাং “মুক্তিযুদ্ধে আমি কোন দিন ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান উচ্চারন করিনাই”-এটা কোন বাহাদুরির কথা নয় জনাব নোমান সাহেব।

তবে হ্যাঁ এই ‘জয় বাংলা’ উচ্চারনটা আপনার বর্তমান নেত্রীর কাছে সাংঘাতিক রকমের অপ্রিয় কোন কিছু। একেবারে গায়ে মৌমাছির হুল ফোটার মতো।কেননা ৭১ এ মুক্তিযোদ্ধের নয় মাস তিনি কাটিয়েছেন পাক জেনারেলদের আতিথ্যে,আদর-আপ্যায়নে,মুক্তিযুদ্ধে স্বামীর সাথে যাওয়ার ডাক এবং সকল ব্যাবস্থা বার বার উপেক্ষা করে,ফিরিয়ে দিয়ে। হয়তোবা একারনেই একদার সমাজতন্ত্রী নোমান সাহেবের,মহান মুক্তিযুদ্ধের রনধ্বনি এই ‘জয় বাংলা’ নিয়ে এতো এলার্জি।