ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতির পরবর্তি অবস্থানের চিফ অব ষ্টাফ লেঃকর্নেল (অবঃ)এম এ রব,এম এন এ (পরে মেজর জেনারেল ও বীর উত্তম)।৬ জানুয়ারী ছিলো,মহান এই বীর মুক্তিযোদ্ধার ৯৩ তম জন্মদিন।এই কথাটি জানা যায় ৭ জানুয়ারী প্রথম আলোতে জনৈক কেয়া চৌধুরীর এক লেখা থেকে। আওয়ামীলীগ সহ কোন এ দেশের রাজনৈতিক দলকেই আমাদের জাতীয় ইতিহাসের চিরস্মরনীয় এই মহান বীরকে তার জন্মদিনে একটুও স্মরন করতে দেখা যায় নাই। এমন কি আমাদের মিডিয়া গুলিতেও যৎসামান্য একটু জায়গা বা সময় তার জন্য বরাদ্দ হয়নাই।১৪ নভেম্বর মহান এই বীরের মৃত্যু দিবসের বেলাতেও একই কথা। অথচ মুক্তিযুদ্ধে তার পরের সারির অনেকেরতো বটেই,এমনকি তাদের এবং অনেক নেতার পুত্র- কন্যা,নাতি-পুতি সহ আরো কতজনের জন্ম-মৃত্যু দিবসে,মিডিয়া গুলিতে আলোচনার আসর বসে,পত্রিকাগুলির পাতাভরে থাকে কত শুভেচ্ছা আর আলোচনার বহর।সারাদেশ জুড়ে চলে কেক কাটা আর খানা-খাদ্যের ধুম।

অথচ আমরা ভুলতেই বসেছি বা নতুন প্রজন্ম অনেকেই জানেই না,কে ছিলেন এই লেঃকর্নেল (অবঃ)এম এ রব বীর উত্তম।মুক্তিযুদ্ধে কি ছিলো তার ভূমিকা ও অবদান। জানেনা তার জন্ম ও মৃত্যু দিবস। জানেনা কোথায় তিনি চির শায়িত।কারন তিনি ক্ষমতা দখল করে সামরিক শাসক হননাই বা হতে পারেননাই। সামরিক শাসক কাম মার্শাল রাজনীতিক হয়ে রাজনৈতিক দল করতে পারেননাই। যদি তা করতেন বা করতে পারতেন তাহলে,হয়তোবা বেগম রব আজ তার দলের কর্নধার এবং এদেশের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যতম বড় নেতা হতেন। সারা দেশ জুড়ে আজ মহা ধুমধামে তার জন্ম-মৃত্যু দিবসতো বটেই,তার বেগম-পুত্র-কন্যাদের জন্ম দিবস সহ আরো কত ধরনের দিবস ও, দিনের পর দিন ধরে পালিত হতো।তার কবরেও সকাল-বিকাল ভিড় আর ফুলের তোড়ার পাহাড় জমতো।আমাদের মিডিয়া গুলিতেও গা ভাসিয়ে দেয়া একই জোয়াড় বইতো। এই না আমরা বাঙালি জাতি!!অনেক ধন্যবাদ কেয়া চৌধুরীকে।এমন একটি খবর জাতিকে দেয়ার জন্য।