ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

এই মহাবিশ্বকে ইশ্বর কয়দিনে কোন স্থানে বসে সৃষ্টি করেছেন ? প্রায় সব ধর্মগ্রন্থের মতেই ছয় দিনে এ কাজ সম্পন্ন হয়েছে । এখন এখানে, প্রশ্ন হলো…….মহাবিশ্ব সৃষ্টির পূর্বে সময় বলতে আসলে কিছু ছিল কিনা ! যদি সময় বলতে কিছু না থাকে তাহলে ছয়দিনে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি হল একথা কিভাবে বলা সম্ভব ? মনে রাখতে হবে, এখানে দিন হলো সময় পরিমাপক একক । একই রকমভাবে বিগব্যাং এর আগে স্থান বলতে কোন কিছুর অস্তিত্বের প্রমান পাওয়া যায় না । কারন স্থানের সম্প্রসারণ হয়েছে বিগব্যাং এর পর থেকে….. । বিজ্ঞানীরা বলেন যে, এখনও মহাবিশ্ব সম্প্রসারণশীল, তার মানে মহাবিশ্বে এখনও নতুন নতুন স্থান এবং নতুন নতুন সময়ের বলয় সৃষ্টি হচ্ছে ।

সময় এবং স্থানকে বোঝার চেষ্ঠা : সুর্যের চারপাশে একবার পৃথিবীর ঘুরে আসতে ৩৬৫ দিন লাগে এটাকে আমরা একবছর ধরি, আবার পৃথিবী নিজ অক্ষপথে একবার ঘুরে আসতে ২৪ ঘন্টা লাগে…এটাকে আমরা বারো ঘন্টা দিন আর ১২ ঘন্টা রাত ধরি । দিন বলতে আসলে আমরা যা বুঝি তা হলো পৃথিবীর নিজ অক্ষপথে ঘুর্ণনকালীন সময়ে যে সময়টুকু সুর্যের দিকে মুখ করে থাকে ওই সময়টাকে ।

তাহলে বোঝা যাচ্ছে, পৃথিবী থেকে সময় নির্ধারনের জন্য সূর্য এবং তার গ্রহ পৃথিবীর অস্তিত্বের দরকার আছে । যখন এসব কিছুই ছিল না তখন কিভাবে সময়ের ক্ষন নির্ধারন করা হলো ? ধর্মগ্রন্থ লেখকের কি সময় এবং স্থান সম্পর্কে কোন ধারনা ছিল না ?? এর মানে কি দাঁড়ায়, ধর্ম গ্রন্থগুলোতে সৃষ্টিতত্ত্ব সম্পর্কে যা লেখা হয়েছে, তার মধ্যে গণ্ডগোল আছে……? প্রশ্নটা আপনাদের কাছে রেখে গেলাম, আশা করি জ্ঞানী লোকেরা জবাব দিবেন ।

বি:দ্র: বিগব্যাঙ এর তথ্য সুরা আম্বিয়ার ২৬ নম্বর আয়াতে উল্লেখ আছে বলে ডা. জাকির নায়েক তার অনেক লেকচারে প্রমান করার চেষ্ঠা করেছেন ।