ক্যাটেগরিঃ ফটো

একজন বি-রাজনীতিকরণ বিরোধী নেতা। ১/১১ সরকার এর বি-রাজনীতিকরণ এর বিরুদ্ধে জোরালো অবস্হানের জন্যই দেশ তাকে মনে রাখবে : বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন (৭৮) ১৬মার্চ , বুধবার বাংলাদেশ সময় বেলা আড়াইটায় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)। ১/১১এর সময় দেশে জরুরি অবস্থা জারি হলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ৩ সেপ্টেম্বর কারাবন্দি হওয়ার আগমূর্হুতে দলের মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়াকে বহিষ্কার করে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে মহাসচিব করেন। বিএনপি চেয়ারপারসনসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা যখন কারাগারে বন্দি সে সসয় খোন্দকার দেলোয়ার দলের হাল ধরে ছিলেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলের পর খোন্দকার দেলোয়ারকে পুনরায় বিএনপির মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ দেন খালেদা জিয়া। ১৯৩৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওরের পাচুরিয়ায় তাঁর জন্ম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৩ সালে অর্থনীতিতে বিএ অনার্সসহ এমএ পাস করেন। ১৯৫৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে (ন্যাপ) যোগদানের মাধ্যমে ১৯৫৭ সালে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে সামনের সারির নেতা দেলোয়ার ন্যাপের প্রার্থী হিসেবে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৭৮ সালে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন।খোন্দকার দেলোয়ার ১৯৭৯, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সাংসদ নির্বাচিত হন। পঞ্চম, ষষ্ঠ ও অষ্টম সংসদে তিনি সরকারি দলের চিফ হুইপ এবং সপ্তম সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ছিলেন।