ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

বোরো আবাদে পানি খুবই প্রযোজনীয়। কিন্তু দেশের চিত্র ভিন্ন। নদী, খাল , বিল, নালায় পানি শুন্যতা। ভরসার ভূগর্ভস্থ পানি তুলতেও বিদ্যুৎ নেই। যার প্রতিফলন কয়েকটি সংবাদ শিরোনামে-

আজ ২৪ মার্চ রাজশাহী জেলা প্রশাসক অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে কৃষকরা।

রাজশাহীর বিদ্যুৎ অফিসগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, প্রযোজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় রাজশাহীর ১১টি ফিডারের মধ্যে ৮টি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

গত ২০ মার্চ পানির দাবিতে সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ, শত শত একর জমির বোরো আবাদ হুমকির মুখে।

সেচ প্রকল্প চালু না হওয়ায় বোরোর ফলন অনিশ্চিত কুষ্টিয়ায়।

বিদ্যুৎ বিভ্রাট চরমে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বোরো আবাদ নিয়ে বিপদে কৃষক।

এমন আরও সেচ সংকট …… কিন্তু বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ৪০ শতাংশ আর তেলের দাম ৬০ শতাংশ বেড়েছে। খাদ্য সংকট ২০০৮ সালের মতোই হতে যাচ্ছে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে জাতিসংঘ। সব দেশেই অব্যাহতভাবে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ঘটে চলেছে। খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) হুঁশিয়ারিতে বলা হয়েছে, খাদ্যপণ্যের মূল্যসূচক ২০০৮ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ অনাহারের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। পর্যাপ্ত অর্থ হাতে নিয়েও খাদ্য আমদানি সম্ভব হবে না। কারণ খাদ্যশস্য উৎপাদন কম হয়েছে।

রাষ্ট্রযন্ত্র : খাদ্যশস্য সংকটে দেশকে পড়তে দিতে না চাইল বোরো আবাদে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রযোজনীয় বিদ্যুৎ সরবারহ করুন।