ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, মতামত-বিশ্লেষণ

(লেখক: শাহীন রহমান ও বৃত্বা রায় দীপা)

সম্প্রতি জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা নিয়ে এক শ্রেণীর ধর্ম ব্যবসায়ী অকারণে মাঠ গরম করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নানা ধরনের আপত্তিকর বক্তব্য দেয়াতো বটেই এমনকি হরতাল দিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে, মানুষকে নাজেহাল করতেও বাদ রাখেনি। যথেষ্ট সন্দেহ আছে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা নিয়ে যারা এই অপপ্রচারে নেমেছেন, বিভ্রান্তি ছড়াছেন, এই নীতিমালা তারা আদৌ পড়ে দেখেছেন কি ? কেননা পড়ে দেখলে দেখতেন মূল যে বিষয়কে তারা জোরালোভাবে সামনে আনার চেষ্টা করেছেন সেই বিষয়টি নীতিমালায় পুরোপুরি অনুপস্থিত। বিষয়টি আর কিছুই না, সম্পদ ও উত্তরাধিকারে নারীর সমঅধিকার।

কিন্তু মৌলবাদীরা এনিয়ে মাঠ গরম করা চেষ্টা করছে। কোনো কোনো রাজনৈতিক দলও এই মৌলবাদীদের পিছনে থেকে কলকাঠি নাড়ছেন। তাই আজ সময় এসেছে এইসব মৌলবাদীদের মুখোশ খুলে দেওয়ার। কেন তারা এই নারী নীতির বিরোধীতা করছে। মৌলবাদীদের এই আস্ফালনের বিরুদ্ধে প্রকৃত দেশপ্রেমিক প্রগতিশীল মানুষকে আজ দলমত নির্বিশেষে প্রতিরোধ গড়ে তোলতে হবে।

জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালার উদ্ভব :
১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা প্রণীত হয় এবং এই নীতিমালা বাস্তবায়নে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ২০০৪ সালে চারদলীয় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এই নীতিমালার নেতিবাচক পরিবর্তন সাধিত করে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা ২০০৪ প্রণয়ন করে। ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক সংশোধিত আকারে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০০৮ প্রণীত হয়। কিন্তু তার কার্যকর বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। বর্তমান সরকার তার নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং নারীর উন্নয়ন ও মতায়ন নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা ২০১১ প্রণয়ন করে।

কি আছে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালায় ?
২০১১-তে প্রণীত নারী উন্নয়ন নীতিমালায় রয়েছে তিনটি ভাগ, যার মধ্যে আছে ৪৯টি অধ্যায়। প্রথমভাগে যথাক্রমে রয়েছে পটভুমি, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নারী, বিশ্ব প্রেক্ষাপট ও বাংলাদেশ, নারীর মানবাধিকার ও সংবিধান , বর্তমান প্রেক্ষাপট , নারী ও আইন, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরা) আইন ২০১০, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, নারী মানবসম্পদ, রাজনীতি ও প্রশাসন, দারিদ্র, নারী উন্নয়নে সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরণ, সরকারী ও বেসরকারী কার্যক্রমের সমন্বয় ও সহযোগীতা, সম্পদ ও অর্থায়ন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব।

দ্বিতীয়ভাগে রয়েছে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতির লক্ষ্য , নারীর মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, কন্যা শিশুর উন্নয়ন, নারীর প্রতি সকল নির্যাতন দূরীকরণ, সশস্ত্র সংঘর্ষ ও নারীর অবস্থা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, জাতীয় অর্থনীতির সকল কর্মকান্ডে নারীর সক্রিয় ও সমঅধিকার নিশ্চিতকরণ, নারীর দারিদ্র দূরীকরণ, নারীর অর্থনৈতিক মতায়ণ, জেন্ডার সংবেদনশীল বাজেট ও জেন্ডার বিভাজিত ডাটাবেইজ প্রনয়ণ, সহায়ক সেবা, নারী ও প্রযুক্তি, নারীর খাদ্য নিরাপত্তা, নারী ও কৃষি, নারীর রাজনৈতিক মতায়ন, নারীর প্রশাসনিক মতায়ন, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, গৃহায়ন ও পরিবেশ, দূর্যোগ পূর্ববতী, দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে নারী ও শিশুর সুরা, অনগ্রসর ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীর জন্য বিশেষ কার্যক্রম, নারী ও গণমাধ্যম, বিশেষ দুর্দশাগ্রস্থ নারী।

তৃতীয়ভাগে আছে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা ও কৌশল (জাতীয়, জেলা-উপজেলা ও তৃণমূল পর্যায় ), নারী উন্নয়নে এনজিও সামাজিক সংগঠনের সাথে সহযোগীতা, নারী ও জেন্ডার সমতা বিষয়ক গবেষণা, নারী উন্নয়ন প্রশিণ প্রতিষ্ঠান, কর্মপরিকল্পনা ও কর্মসূচীগত কৌশল, আর্থিক ব্যবস্থা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগীতা, নারীর মতায়ন ও আর্ন্তজাতিক সহযোগীতা।

এতগুলি বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ যে নীতিমালায় নি:সন্দেহে তা প্রশংসার দাবীদার। আরো উল্লেখ্য এই নীতির প্রত্যেকটি কর্মসূচী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৬৫ এই ধারাগুলির সাথে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাহলে সমস্যাটা কোথায় ? কোথায় গিয়ে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা-২০১১ নারী উন্নয়নের সাথে সাংঘর্ষিক হচ্ছে ? হ্যাঁ, জায়গাটা খুব স্পর্শকাতর আর মূখ্য।

চ্যালেঞ্জ :
সম্প্রতি জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালার একটি বিষয় দেশের মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে। এ বিষয়টি হলো নীতিমালায় বর্ণিত “উপার্জন, উত্তরাধিকার, ঋণ, ভূমি এবং বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের ক্ষেত্রে নারীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রদানকরা।” (২৫.২. জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা ২০১১)।

প্রেক্ষাপট:
নারীসমাজের দীর্ঘ আন্দোলন ও ৪টি বিশ্বনারী সম্মেলনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, নারীনেত্রীদের কাছ থেকে খসড়া আহ্বানের মধ্যে দিয়ে প্রণীত হয়েছিল ১৯৯৭-এর জাতীয় নারী নীতিমালা। যদিও তা শেষপর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। ২০০৪ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার গোপনে সেই নারীনীতির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা পাল্টে দেয়। সচেতন সমাজের প্রবল দাবির মুখে ২০০৮-এ নারী উন্নয়ন নীতিমালা সংশোধিত হয়। দু:খজনক হলো, এই সংশোধনের তোড়ে নারীর সমঅধিকারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভেসে চলে যায়। নারী সংগঠনগুলি সাথে সাথেই এর প্রতিবাদ করেছিল। পুনরায় সংশোধন হলো নারী উন্নয়ন নীতিমালা। কিন্তু রয়ে গল সেই একই ফাঁকি। কোথাও নেই সম্পদ ও উত্তরাধিকারে সমঅধিকার।

যদিও বিষয়গুলি অনেকেরই জানা তবুও প্রাসঙ্গিকভাবেই তুলে ধরার প্রয়োজনবোধ করছি একনজরে। যেমন দারিদ্রপীড়িত বাংলাদেশের ১৫ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, জাতীয় শ্রমশক্তির অর্ধেক নারী, সমগ্র জনগোষ্ঠীর ৬ কোটি ২০ লাখ নারী বিত্তহীন বা দারিদ্রসীমার নিচে বাস করেন, কৃষিপ্রধান এই দেশের ৭৯% নারী কোন না কোনো কোনোভাবে কৃষিশ্রমের সাথে জড়িত, শিল্পশ্রমে ১২% নারী জড়িত, দেশের গার্মেন্টস ও রপ্তানী শিল্পে ২৫ লাখ ও চা শিল্পে ৫ লাখ নারী শ্রমিক নিয়োজিত, গার্মেন্টস শিল্পের সিংহ ভাগ (প্রায় ৯০%) উৎপাদন নারীশ্রম দ্বারা অর্জিত। অর্থাৎ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক এই বাজারে দেশের উৎপাদনে নেতৃত্ব দিচ্ছে নারী।

এই বাস্তব চিত্রের পরিপ্রেক্ষিতেও দীর্ঘসময় ধরে নারীকে শিক্ষা , কর্মসংস্থানসহ জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ কৌশল সবই উপেক্ষিত রয়ে গেছে। এই দাবিগুলো নিয়ে প্রগতিশীল নারী সংগঠনগুলি প্রাই চার দশক ধরে রাজপথে। একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বিকাশের ক্ষেত্রে অনগ্রসর নারীসমাজ একটি বড় বাধা। সে বাধা অতিক্রম করে সামনে চলতে একটি উন্নয়নমুখি নীতিমালার বড় প্রয়োজন ছিল আমাদের। আর তার খসড়া প্রনয়ণে ১৯৯৭ সালে তাই ডাক পড়েছিল সেই নারীনেত্রীদের যারা নারীর সমঅধিকারের আন্দোলনের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমৃদ্ধ হয়েছেন। আগেই বলেছি তাদের প্রণীত নারী উন্নয়ন নীতিমালা আলোর মুখ দেখেনি। কিন্তু সার্বিকভাবে সেই নীতিমালাটিই নারী- পুরুষের সমঅধিকারের কথা বলেছিল। সে সময় ও প্রতিবাদ উঠেছিল। পথে নেমেছিল মৌলবাদী ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী। প্রশ্ন উঠেছিল কোরান অবমাননার। কেননা নারীর সমঅধিকার রুখতে ধর্মের অপব্যাখ্যার চেয়ে কার্যকরী অস্ত্র আর নেই। গত আড়াইশো বছর ধরেই (১৭৭২) ধরে যে দেওয়ানী ও ফৌজদারী আইন চালু রয়েছে তা নিয়ে মৌলবাদীর কিন্তু প্রশ্ন তুলছেন না। সে আইনের ছাতার নিচে কিন্ত নারী-পুরুষ সকলেই একই সমতলে। অথচ সম্পদ ও সম্পত্তির উত্তরাধিকারের সমঅধিকারের প্রশ্ন আসলো তখনই ভীষণভাবে মাথা গরম হয়ে গেল ধর্মান্ধ মৌলবাদীদের। এই বুঝি বিনা বেতনের দাসী-ভোগ্যপণ্য-সন্তান জন্মের যন্ত্র ফসকে গেল হাত থেকে। উত্তরাধিকারে সমতা মানেই নারীর সতন্ত্র সত্ত্বা। করুণার ভিক্ষা নয়। উত্তরাধিকারের অর্জন, যা নারীর মর্যাদাকে সমুন্নত রাখবে। এখানেই যত আপত্তি । অথচ বেশ কিছু মুসলিম রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত আছে সম্পত্তির উত্তরাধিকারের নারী-পুরুষের সমঅধিকার। মরক্কোর রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। কিন্তু সেখানে ২০০৪ সালে গৃহীত পারিবারিক আইনবিধিতে নারীপুরুষের সমানাধিকার স্বীকৃত হয়েছে। ইরাক, তিউনিসিয়া, ইন্দোনেশিয়াতেও একই চিত্র। এক্ষেত্রে কোথায় খর্ব হয়েছে ইসলাম তা বোধগম্য নয়।

মূল সমস্যার জায়গাগুলি:
২০১১-এর জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালাতেই সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারের জায়গাটি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, এর ১৬.১ ধারা কেবলমাত্র রাষ্ট্র ও গণজীবনে সমানাধিকারের কথা বলে। ১৭.১ ধারা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নারীর সমঅধিকারকে স্বীকার করেছে মাত্র কিন্তু পরিবারের মধ্যে নারীর ব্যক্তিগত অধিকারের বিষয়টি অন্ধকারে রয়ে গেছে। এই বিষয়গুলিতে অবস্থান পরিষ্কার না করার কারণে নারীর সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টি একটি ধুম্রজালে জড়িয়ে পড়েছে। বিবর্তন যে কারনেই হোক না কেন তা নারী তথা জাতীয় উন্নয়নের বিপরীতেই গেছে এবং নারী অধিকার অর্জনের পথকে আরো বন্ধুর করে তুলেছে।

বেছে নিতে হবে করণীয় :
কোনো অজানা ভীতির কারণে নারী উন্নয়ন নীতিমালা থেকে উত্তরাধিকার ও সম্পদে সমঅধিকারের বিষয়টি বর্তমান সরকার বাদ রাখলেন সেটি বড়ো বিস্ময়ের ব্যাপার। পরিষ্কারভাবে বলা উচিত, ধর্ম অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় হলেও তা কোনোভাবেই জাতীয় উন্নয়নের পরিপন্থী নয়। বাংলাদেশে সময়ের প্রয়োজনে আইন, নীতিমালা প্রণীত হয়েছে। সফলভাবে তার প্রয়োগও হয়েছে। রাষ্ট্র তার অগ্রসরমানতার প্রয়োজনে, নাগরিকের সুরার প্রয়োজনে নীতিমালা, আইন প্রণয়ন করবে। এর সাথে ধর্ম সাংঘর্ষিক হওয়ার প্রশ্ন নেই। রাষ্ট্রের পবিত্র সংবিধান যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলের সমানাধিকারের কথা বলে সেখানে শুধুমাত্র ইসলাম বিরোধীতার বিষয়টি যারা সামনে নিয়ে আসছে তারা সুনির্দ্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়েই তা করছে। তাদের উদ্দেশ্য আর কিছুই না, সার্বিকভাবে দেশের অগ্রগতির চাকাকে পেছনে ঠেলা। এই ধর্মান্ধ গোষ্ঠীতো এই-ই করবে। এরা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল। এরা ১৯৭১ সালে ঘোষণা করেছিল, মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সকল নারী ‘মাল-এ-গনিমত’। তাদের ভোগ করা ও পাকসেনাদের হাতে তুলে দেয়া বিশেষ সওয়াবের কাজ। মানুষ কিন্তু তাদের সাথে ছিল না। মানুষ শামিল ছিল মুক্তিযুদ্ধে। স্বাধীন দেশেও প্রতিটি প্রগতিশীল পদপে অবরুদ্ধ করতে তারা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে গেছে। এরা ফটোগ্রাফিকে হারাম বলে, টেলিভিশনকে শয়তানের বাক্স বলে, জন্মনিয়ন্ত্রনকে নিষিদ্ধ বলে, টিকা গ্রহণকে ইসলাম বিরোধীতা বলে বিভিন্ন সময়ে ফতোয়া জারি করেছে। প্রতিবারই মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আর তা করেছে বলেই বাংলাদেশ সামনে এগিয়েছে। সচেতন সমাজ মনে করে নারী উন্নয়ন নীতিমালার ক্ষেত্রেও তাই হবে। কাজেই দেশের সার্বিক উন্নয়নের সাথে কার্যকরভাবে নারীকে সম্পৃক্ত করতে নারীর সমঅধিকার খন্ডিত করে নয়, বরং বর্তমান নীতিমালার ২৫.২ ধারা সংশোধন করে সম্পদ ও উত্তরাধিকারে সমঅধিকার সহ জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

***
লেখক : শাহীন রহমান, নির্বাহী সম্পাদক, সাপ্তাহিক একতা এবং বৃত্বা রায় দীপা, সাবেক মহিলা সম্পদিকা- রাকসু ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন।

***
ফিচার ছবি: সায়েন্স ফটো লাইব্রেরি এবং গুহল সার্চ থেকে সংগৃহিত