ক্যাটেগরিঃ সিটিজেন জার্নালিজম

ব্লগের মূল প্রাণ ব্লগাররাই। তবে ব্লগার নয়, একজন সংবাদদাতা হিসাবে লিখুন । দেখবেন নাগরিক সাংবাদিকতা হয়ে গেছে। অর্থাৎ যে ব্লগগুলি সংবাদ নির্ভর সেগুলিই নাগরিক সাংবাদিকতা।

নাগরিক সাংবাদিকতার পরিসর যথেষ্ট বিস্তৃত এবং সূক্ষ্ম। তাই নাগরিক সাংবাদিকতার বৈচিত্র্য থেকে লেখার বিষয় নির্বাচনের দায়িত্ব লেখকের।

‘নাগরিক সাংবাদিকতা’ নির্ভর ব্লগে যে কোনা বিষয়ে লিখা যায় অনায়াসে।

এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনা, শিক্ষাঙ্গন-অফিসের অনিয়ম অথবা সাফল্য, দুর্ঘটনা, যানজট বা চলতি পথের ঘটনা- যার সংবাদ মূল্য রয়েছে তা নিয়েই প্রকৃত নাগরিক সাংবাদিকতার ব্লগ।

কোনো প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে মতামত-প্রতিক্রিয়াও ব্লগ। অন্যদিকে (সিনেমা, উপন্যাস,গল্প, কবিতা, ছড়া) সমালোচনা, জীবনী, ঋতুবদল, ভ্রমণ, কৃষি বিষয়ক ফিচারও নাগরিক সাংবাদিকতা।

প্রয়োজন সংবাদের সূত্র; সংবাদ বৈচিত্র্য ও সঠিক বানান। ব্লগিংকে প্রাণবন্ত করতে পোস্ট দেয়ার পাশাপাশি সহ-ব্লগারদের পোস্টে মন্তব্য প্রদান , মন্তব্যের জবাব দেয়া।

তবে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের কপি-পেস্ট পোস্ট, অতি দীর্ঘ শিরোনাম অবশ্যই পরিতাজ্য।

মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ছবি তোলা বা ঘটনার ভিডিও চিত্র ধারণ ’এক্সক্লুসিভ’ সূক্ষ্ম বিষয়গুলোও নাগরিক সাংবাদিকতার অন্তর্গত।

সেদিন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দেশে ফেরার সময- রাস্তার যানজটের সংবাদ, যার ছবি বা ভিডিও কোনোভাবেই ব্লগারের আগে সংবাদমাধ্যমের পক্ষে দেয়া সম্ভব ছিল না।

কিন্তু ওই যানজটে কি একজনও ব্লগার ছিল না? ছিল না ফেসবুকার? যানজটে বসে যানজট নিয়ে যে স্টাটাসটা দিয়েছেন তার সাথে দু’লাইন যুক্ত করে একটি ছবি বা ভিডিও যুক্ত করলেই মারাত্মক পঠিত একটি ব্লগ হয়ে যেত!

***
তথ্যসূত্র- ব্লগপোষক এর ব্লগ সহায়িকা-১: ব্লগে কীভাবে লিখবেন? ব্লগে কী লিখবেন?
ছবি- গুগুল মামা