ক্যাটেগরিঃ ফটো

 

রপ্তানিমুখী নমুনা উৎপাদন বণ্টন চুক্তি ২০০৮ এর আওতায় বঙ্গোপসাগরের ১০ ও ১১নং তেল-গ্যাস ব্লক মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি কনোকো ফিলিপস-এর সাথে চুক্তি সম্পাদনের প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে তেল গ্যাস বিদ্যুৎ রক্ষা কমিটির জ্বালানী মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে প্রেসক্লাব এলাকায় আজ পুলিশ বাধা দেয়।

এর আগে সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের সীমিত গ্যাস সম্পদের কথা বিবেচনা করে আমরা ও দেশের সচেতন মহল ইতোপূর্বে রপ্তানির সুযোগ রেখে প্রণীত মডেল পিএসসি-২০০৮ এর বিরোধীতা করেছি। জনমত ও দেশের স্বার্থ উপেক্ষা করে রপ্তানির সুযোগ রেখে প্রণীত পিএসসি-এর আওতায় চুক্তি সম্পাদন ও বাস্তবায়িত হলে আমরা আমাদের গ্যাসের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাবো। দেশের গ্যাস সংকট সত্ত্বেও গ্যাস রপ্তানিরও ক্ষেত্র তৈরি হবে।

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ‘খনিজ সম্পদ রফতানি নিষিদ্ধকরণ আইন’ নিয়ে আলোচনা ও পাশ করা এবং তেল-গ্যাস-কয়লাসহ খনিজসম্পদের উপর শতভাগ দেশের মালিকানা নিশ্চিত করার দাবি জানান হয়।

নেতৃবৃন্দ, সম্প্রতি বহুজাতিক কোম্পানি সান্তোষ ও হ্যালিবার্টনকে তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রির অনুমতি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং এই চুক্তি বাতিলের দাবি জানান।

দেশের গ্যাস সংকট নিরসনে চালু কূপ থেকে উত্তোলন বৃদ্ধি, বন্ধ কূপ চালু, জাতীয় সংস্থার মাধ্যমে ‘সুনেত্র’ গ্যাস ক্ষেত্র থেকে উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু, সমুদ্রের গ্যাস ব্লকগুলোর উপর নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রমে পরিকল্পনা গ্রহণ এবং জাতীয় সংস্থাকে দক্ষ ও সক্রিয় করার দাবি জানান হয়।