ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

প্রতিদিন খবরের পাতা দেখলেই যে সব খবর সামনে চলে আসে তা হল.. প্রথমেই “দূর্নীতি, সড়ক দূর্ঘটনা, গুম আর খুন”। ১৬ কোটি মানুষ ১০০ কোটি বার কোন না কোন ভাবে আলোচনার তালিকা শীর্ষে যে শব্দগুলো থাকে তা হল দূর্নীতি, সড়ক দূর্ঘটনা, গুম আর খুন”।

বছর দুয়েক আগে ঢাকার কমিশনার চৌধুরী আলম গুম, সম্প্রতি কালে এম ইলিয়াস আলী সহ প্রায় দুই শতাধিক রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ী গুম, সাংবাদিক দম্পতি ফরহাদ খাঁ পল্টনে নিজ বাসায় খুন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি নিজ বাসায় খুন সহ যশোরের সাংবাদিক জামাল উদ্দিন খুন সহ খুনের রাজনীতি সীমাহীন ভাবে রেড়ে গেছে। সড়ক দূর্ঘটনায় মিশুক মনির, তারেক মাসুদ, ফটোসাংবাদিক শহীদুজ্জামান টিটু, সাংবাদিক দীনেশ, সাংবাদিক বিধান চন্দ্র সহ অনেক নির্মম মৃত্যু আর মন্ত্রীদের উদাসীন বক্তব্য, বাস ড্রাইভারদের মাঠে আন্দোলন গোটা জাতিকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে।

আর দূর্নীতি তো আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য হয়ে গেছে। এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে দূর্নীতির গন্ধ নেই। পদ্মা সেতু দূর্নীতি, রেল মন্ত্রীর দূর্নীতি সহ আমরা এখন দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান হয়ে গেছি।

জাতির এই স্পর্শকাতর বিষয়ের দিকে কোন খেয়াল নেই। সরকার ব্যাস্ত বিরোধীদলের নেতাদের দমন পীড়ন করার জন্য। আর বিরোধীদল ব্যাস্ত সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিতারিত করার জন্য। আর সাধারণ মানুষ দর্শক। যারা প্রতিবাদ করতে জানে না, প্রতিবাদের ভাষা বোঝেনা। তারা বুঝে দুই দলের দুই শীর্ষ নেত্রী কি বলছেন। সেদিকেই সবার দৃষ্টি। মাঝখান থেকে কেউ কেউ ভিন্ন জায়গা থেকে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নতুন সংবাদ করছে সৃষ্টি।

আমরা স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ চাই। মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাষ্ট্র চাই। শিশু মেঘের পিতা-মাতা হত্যার বিচার চাই। শিশু ইলিয়াস কন্যার কাছে তার প্রিয় বাবাকে ফেরত চাই। চাই আগামী দিন গুলো হোক সংঘাত মুক্ত সোনালী সুন্দর। আর এই জন্য সরকার ও বিরোধী দলকে এক সাখে এগিয়ে আসতে হবে। “ত্যাগ চাই, মর্সিয়া ক্রন্দন চাহি না”